ঢাকা ০৫:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
শুক্র ও শনিবার খোলা থাকবে ব্যাংক বাংলাদেশে একটি কার্যালয় খোলার জন্য প্রযুক্তি জায়ান্ট মেটাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ঐতিহাসিক ভাষণ আজ প্রতিদিন টক দই খাওয়ার যেসব উপকার জানলে অবাক হবেন জেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষক হলেন ‘আজ কেন মন উদাসী হয়ে’ গানের আলোচিত সেই বিউটি রাণী সরকারি হাসপাতালের ১ কিলোমিটারের মধ্যে নতুন ক্লিনিক নয় ঢাকা-চট্টগ্রামসহ ১২ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস রোহিঙ্গাদের নিজ ভূমিতে নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের কোনো বিকল্প নেই : প্রধানমন্ত্রী মিরপুর বিআরটিএতে ভ্রাম্যমাণ আদালত, দালালের তিন মাসের কারাদণ্ড গুলশান ও বনানী থানায় নতুন ওসি

জানুয়া‌রি-মার্চের মধ্যে পদ্মা ব‌্যা‌রে‌জের উদ্বোধন

  • নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:৩৪:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১০ বার পড়া হয়েছে

সাইট পরিদর্শনে রাজবাড়ীতে গেলেন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীসহ সরকারের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তারা

রাজবাড়ীতে প্রস্তাবিত পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের সাইট পরিদর্শনে যাবেন পানিসম্পদমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা, সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী এবং পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীসহ সরকার সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তারা।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় পাংশা উপজেলার হাবাসপুরে তাদের যাওয়ার কথা রয়েছে।

প্রকল্পের সম্ভাব্যতা, বাস্তবায়নযোগ্যতা এবং সংশ্লিষ্ট এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শন করতেই তাদের এ সফর বলে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, হাবাসপুরে পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের সাইট পরিদর্শনে শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টায় পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ এবং সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী এবং পদ্মা ব্যারেজ-দ্বিতীয় পদ্মা সেতু বাস্তবায়ন জাতীয় কমিটির সভাপতি আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়মের যাওয়ার কথা রয়েছে।

এ সময় রাজবাড়ী-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. হারুন অর রশিদ, রাজবাড়ী জেলা পরিষদের প্রশাসক আব্দুস সালাম মিয়াসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা, জেলা বিএনপির নের্তবৃন্দ, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত থাকবেন।
সফরকালে সরকারের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা প্রকল্পের সম্ভাব্য স্থান, পদ্মা নদীর গতিপ্রকৃতি, বর্তমান পরিস্থিতি এবং প্রকল্প বাস্তবায়নে সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে সরেজমিনে ধারণা নেবেন।

সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে প্রকল্পের বিভিন্ন দিক সম্পর্কেও তথ্য নেওয়ার কথা রয়েছে।

রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীন বলেন, শুক্রবার পাংশা উপজেলার হাবাসপুরে প্রস্তাবিত পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের সাইট পরিদর্শনে অর্থ উপদেষ্টা, পানিসম্পদমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী, সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রীসহ সরকারের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তারা আসবেন। এ উপলক্ষে জেলা প্রশাসন থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
৩৪ হাজার ৪৯৭ কোটি টাকার প্রকল্প

পদ্মা (গঙ্গা) ব্যারাজ প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো বর্ষাকালে পদ্মা নদীর পানি সংরক্ষণ করে শুষ্ক মৌসুমে তা নিয়ন্ত্রিতভাবে সরবরাহ করা। প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ে পাংশার হাবাসপুর এলাকায় প্রায় ২ দশমিক ১ কিলোমিটার দীর্ঘ পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। এতে প্রায় ২ হাজার ৯০০ মিলিয়ন ঘনমিটার পানি সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে।

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় গত ১৩ মে পদ্মা ব্যারাজ (প্রথম পর্যায়) নির্মাণ প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রকল্পটির সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৪ হাজার ৪৯৭ কোটি টাকা।

প্রকল্পের আওতায় ৭৮টি স্পিলওয়ে, ১৮টি আন্ডারস্লুইস, দুটি ফিশ পাস, নৌ-লক, গাইড বাঁধ ও অ্যাপ্রোচ বাঁধ নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।

এ ছাড়া গড়াই, চন্দনা ও হিসনা নদীর অফটেক স্ট্রাকচার নির্মাণ, গড়াই-মধুমতি নদী ব্যবস্থার ১৩৫ দশমিক ৬০ কিলোমিটার ড্রেজিং, হিসনা নদী ব্যবস্থার ২৪৬ দশমিক ৪৬ কিলোমিটার ড্রেনেজ চ্যানেল পুনর্খনন এবং ১৮০ কিলোমিটার অ্যাফ্লাক্স বাঁধ নির্মাণ করা হবে। প্রকল্পের আওতায় মোট ১১৩ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতার ২টি জলবিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণেরও পরিকল্পনা রয়েছে।

৩৪ হাজার ৪৯৭ কোটি টাকার প্রকল্পপদ্মা (গঙ্গা) ব্যারাজ প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো বর্ষাকালে পদ্মা নদীর পানি সংরক্ষণ করে শুষ্ক মৌসুমে তা নিয়ন্ত্রিতভাবে সরবরাহ করা। প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ে পাংশার হাবাসপুর এলাকায় প্রায় ২ দশমিক ১ কিলোমিটার দীর্ঘ পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। এতে প্রায় ২ হাজার ৯০০ মিলিয়ন ঘনমিটার পানি সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে।

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় গত ১৩ মে পদ্মা ব্যারাজ (প্রথম পর্যায়) নির্মাণ প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রকল্পটির সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৪ হাজার ৪৯৭ কোটি টাকা।

প্রকল্পের আওতায় ৭৮টি স্পিলওয়ে, ১৮টি আন্ডারস্লুইস, দুটি ফিশ পাস, নৌ-লক, গাইড বাঁধ ও অ্যাপ্রোচ বাঁধ নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। এ ছাড়া গড়াই, চন্দনা ও হিসনা নদীর অফটেক স্ট্রাকচার নির্মাণ, গড়াই-মধুমতি নদী ব্যবস্থার ১৩৫ দশমিক ৬০ কিলোমিটার ড্রেজিং, হিসনা নদী ব্যবস্থার ২৪৬ দশমিক ৪৬ কিলোমিটার ড্রেনেজ চ্যানেল পুনর্খনন এবং ১৮০ কিলোমিটার অ্যাফ্লাক্স বাঁধ নির্মাণ করা হবে। প্রকল্পের আওতায় মোট ১১৩ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতার ২টি জলবিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণেরও পরিকল্পনা রয়েছে।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকা‌লে রাজবাড়ীর পাংশা উপ‌জেলার হাবাসপু‌র এলাকায় পদ্মা ব‌্যা‌রেজ নির্মানের স্থান প‌রিদর্শন শে‌ষে সাংবা‌দিক‌দের এ কথা ব‌লেন তিনি।

পা‌নিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি ব‌লেন, ‘পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে এ অঞ্চলে কৃষি বিপ্লব ঘটবে। পাশাপাশি বিদ্যুৎ উৎপাদন ও মাছের উৎপাদন বাড়বে। সেইসঙ্গে যুক্ত হবে আধুনিক প্রযুক্তির নানা সুযোগ-সুবিধা। আগামী বছ‌রের জানুয়া‌রি, ফেব্রুয়া‌রি, মার্চের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের উদ্বোধন করতে পারেন।’

পদ্মা ব‌্যা‌রেজ ‘প্রজেক্ট মাস্টারমাইন্ড’ মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে অর্থনৈ‌তিক রুপান্তর ও বিপ্ল‌ব ঘটবে জানিয়ে পা‌নিসম্পদ মন্ত্রী ব‌লেন, ‘এর মধ‌্য দি‌য়ে ২৪টি জেলায় অর্থনৈ‌তিক রুপান্তর ঘটা‌বে, কৃ‌ষি বিপ্লব হ‌বে, বিদ্যুৎ উৎপাদন হ‌বে, মা‌ছের চাষ হ‌বে, উৎপাদন বৃ‌দ্ধি পা‌বে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আরও অনেক আধু‌নিক প্রযু‌ক্তি যোগ হ‌বে। এই প্রকল্প‌টি ২০০৪ সাল থে‌কে মরহুম সা‌বেক প্রধানমন্ত্রী খা‌লেদা জিয়ার সময় থে‌কে স‌মীক্ষা ক‌রে এমনভা‌বে নি‌য়ে এসেছি, যা আজ ২০২৬ সা‌লে এক‌নে‌কে পাশ ক‌রি‌য়ে‌ছি।’

বিএনপির নির্বাচনি ইস্তেহারের কথা তুলে ধরে এ্যানি ব‌লেন, “প্রধানমন্ত্রী নির্বাচ‌নের আগে আপনা‌দের ওয়াদা দি‌য়ে‌ছি‌লে, নির্বাচ‌নের ইশ‌তে‌হা‌রে নি‌য়ে এসে‌ছি‌লেন। আজ তার হাত ধ‌রে বাস্তবায়ন হ‌তে যা‌চ্ছে। এজন‌্য পা‌নি সম্পদ মন্ত্রণাল‌য়ের পক্ষ থে‌কে এবং ২৪টি জেলার পক্ষ থে‌কে প্রধানমন্ত্রী‌কে ধন‌্যবাদ জানাই।”
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম এবং রাজবাড়ী-২ আস‌নের সংসদ সদস‌্য হারুন অর র‌শিদ উপ‌স্থিত ছি‌লেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

শুক্র ও শনিবার খোলা থাকবে ব্যাংক

জানুয়া‌রি-মার্চের মধ্যে পদ্মা ব‌্যা‌রে‌জের উদ্বোধন

আপডেট সময় ১০:৩৪:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সাইট পরিদর্শনে রাজবাড়ীতে গেলেন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীসহ সরকারের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তারা

রাজবাড়ীতে প্রস্তাবিত পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের সাইট পরিদর্শনে যাবেন পানিসম্পদমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা, সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী এবং পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীসহ সরকার সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তারা।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় পাংশা উপজেলার হাবাসপুরে তাদের যাওয়ার কথা রয়েছে।

প্রকল্পের সম্ভাব্যতা, বাস্তবায়নযোগ্যতা এবং সংশ্লিষ্ট এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শন করতেই তাদের এ সফর বলে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, হাবাসপুরে পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের সাইট পরিদর্শনে শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টায় পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ এবং সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী এবং পদ্মা ব্যারেজ-দ্বিতীয় পদ্মা সেতু বাস্তবায়ন জাতীয় কমিটির সভাপতি আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়মের যাওয়ার কথা রয়েছে।

এ সময় রাজবাড়ী-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. হারুন অর রশিদ, রাজবাড়ী জেলা পরিষদের প্রশাসক আব্দুস সালাম মিয়াসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা, জেলা বিএনপির নের্তবৃন্দ, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত থাকবেন।
সফরকালে সরকারের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা প্রকল্পের সম্ভাব্য স্থান, পদ্মা নদীর গতিপ্রকৃতি, বর্তমান পরিস্থিতি এবং প্রকল্প বাস্তবায়নে সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে সরেজমিনে ধারণা নেবেন।

সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে প্রকল্পের বিভিন্ন দিক সম্পর্কেও তথ্য নেওয়ার কথা রয়েছে।

রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীন বলেন, শুক্রবার পাংশা উপজেলার হাবাসপুরে প্রস্তাবিত পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের সাইট পরিদর্শনে অর্থ উপদেষ্টা, পানিসম্পদমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী, সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রীসহ সরকারের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তারা আসবেন। এ উপলক্ষে জেলা প্রশাসন থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
৩৪ হাজার ৪৯৭ কোটি টাকার প্রকল্প

পদ্মা (গঙ্গা) ব্যারাজ প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো বর্ষাকালে পদ্মা নদীর পানি সংরক্ষণ করে শুষ্ক মৌসুমে তা নিয়ন্ত্রিতভাবে সরবরাহ করা। প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ে পাংশার হাবাসপুর এলাকায় প্রায় ২ দশমিক ১ কিলোমিটার দীর্ঘ পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। এতে প্রায় ২ হাজার ৯০০ মিলিয়ন ঘনমিটার পানি সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে।

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় গত ১৩ মে পদ্মা ব্যারাজ (প্রথম পর্যায়) নির্মাণ প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রকল্পটির সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৪ হাজার ৪৯৭ কোটি টাকা।

প্রকল্পের আওতায় ৭৮টি স্পিলওয়ে, ১৮টি আন্ডারস্লুইস, দুটি ফিশ পাস, নৌ-লক, গাইড বাঁধ ও অ্যাপ্রোচ বাঁধ নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।

এ ছাড়া গড়াই, চন্দনা ও হিসনা নদীর অফটেক স্ট্রাকচার নির্মাণ, গড়াই-মধুমতি নদী ব্যবস্থার ১৩৫ দশমিক ৬০ কিলোমিটার ড্রেজিং, হিসনা নদী ব্যবস্থার ২৪৬ দশমিক ৪৬ কিলোমিটার ড্রেনেজ চ্যানেল পুনর্খনন এবং ১৮০ কিলোমিটার অ্যাফ্লাক্স বাঁধ নির্মাণ করা হবে। প্রকল্পের আওতায় মোট ১১৩ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতার ২টি জলবিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণেরও পরিকল্পনা রয়েছে।

৩৪ হাজার ৪৯৭ কোটি টাকার প্রকল্পপদ্মা (গঙ্গা) ব্যারাজ প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো বর্ষাকালে পদ্মা নদীর পানি সংরক্ষণ করে শুষ্ক মৌসুমে তা নিয়ন্ত্রিতভাবে সরবরাহ করা। প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ে পাংশার হাবাসপুর এলাকায় প্রায় ২ দশমিক ১ কিলোমিটার দীর্ঘ পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। এতে প্রায় ২ হাজার ৯০০ মিলিয়ন ঘনমিটার পানি সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে।

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় গত ১৩ মে পদ্মা ব্যারাজ (প্রথম পর্যায়) নির্মাণ প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রকল্পটির সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৪ হাজার ৪৯৭ কোটি টাকা।

প্রকল্পের আওতায় ৭৮টি স্পিলওয়ে, ১৮টি আন্ডারস্লুইস, দুটি ফিশ পাস, নৌ-লক, গাইড বাঁধ ও অ্যাপ্রোচ বাঁধ নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। এ ছাড়া গড়াই, চন্দনা ও হিসনা নদীর অফটেক স্ট্রাকচার নির্মাণ, গড়াই-মধুমতি নদী ব্যবস্থার ১৩৫ দশমিক ৬০ কিলোমিটার ড্রেজিং, হিসনা নদী ব্যবস্থার ২৪৬ দশমিক ৪৬ কিলোমিটার ড্রেনেজ চ্যানেল পুনর্খনন এবং ১৮০ কিলোমিটার অ্যাফ্লাক্স বাঁধ নির্মাণ করা হবে। প্রকল্পের আওতায় মোট ১১৩ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতার ২টি জলবিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণেরও পরিকল্পনা রয়েছে।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকা‌লে রাজবাড়ীর পাংশা উপ‌জেলার হাবাসপু‌র এলাকায় পদ্মা ব‌্যা‌রেজ নির্মানের স্থান প‌রিদর্শন শে‌ষে সাংবা‌দিক‌দের এ কথা ব‌লেন তিনি।

পা‌নিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি ব‌লেন, ‘পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে এ অঞ্চলে কৃষি বিপ্লব ঘটবে। পাশাপাশি বিদ্যুৎ উৎপাদন ও মাছের উৎপাদন বাড়বে। সেইসঙ্গে যুক্ত হবে আধুনিক প্রযুক্তির নানা সুযোগ-সুবিধা। আগামী বছ‌রের জানুয়া‌রি, ফেব্রুয়া‌রি, মার্চের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের উদ্বোধন করতে পারেন।’

পদ্মা ব‌্যা‌রেজ ‘প্রজেক্ট মাস্টারমাইন্ড’ মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে অর্থনৈ‌তিক রুপান্তর ও বিপ্ল‌ব ঘটবে জানিয়ে পা‌নিসম্পদ মন্ত্রী ব‌লেন, ‘এর মধ‌্য দি‌য়ে ২৪টি জেলায় অর্থনৈ‌তিক রুপান্তর ঘটা‌বে, কৃ‌ষি বিপ্লব হ‌বে, বিদ্যুৎ উৎপাদন হ‌বে, মা‌ছের চাষ হ‌বে, উৎপাদন বৃ‌দ্ধি পা‌বে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আরও অনেক আধু‌নিক প্রযু‌ক্তি যোগ হ‌বে। এই প্রকল্প‌টি ২০০৪ সাল থে‌কে মরহুম সা‌বেক প্রধানমন্ত্রী খা‌লেদা জিয়ার সময় থে‌কে স‌মীক্ষা ক‌রে এমনভা‌বে নি‌য়ে এসেছি, যা আজ ২০২৬ সা‌লে এক‌নে‌কে পাশ ক‌রি‌য়ে‌ছি।’

বিএনপির নির্বাচনি ইস্তেহারের কথা তুলে ধরে এ্যানি ব‌লেন, “প্রধানমন্ত্রী নির্বাচ‌নের আগে আপনা‌দের ওয়াদা দি‌য়ে‌ছি‌লে, নির্বাচ‌নের ইশ‌তে‌হা‌রে নি‌য়ে এসে‌ছি‌লেন। আজ তার হাত ধ‌রে বাস্তবায়ন হ‌তে যা‌চ্ছে। এজন‌্য পা‌নি সম্পদ মন্ত্রণাল‌য়ের পক্ষ থে‌কে এবং ২৪টি জেলার পক্ষ থে‌কে প্রধানমন্ত্রী‌কে ধন‌্যবাদ জানাই।”
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম এবং রাজবাড়ী-২ আস‌নের সংসদ সদস‌্য হারুন অর র‌শিদ উপ‌স্থিত ছি‌লেন।