কোকরোচ জনতা পার্টি (CJP) এর প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপক আগামী ১৬ অক্টোবর ২০২৬, শুক্রবার বিকেল ৫টায় দিল্লির কনট প্লেসের সেন্ট্রাল পার্কে সবাইকে জাতীয় পতাকা নিয়ে সমবেত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ‘X’-এ দেওয়া এক বার্তায় তিনি এই কর্মসূচির নাম দিয়েছেন “লেহরা দো তিরঙ্গা”(Lehra Do Tiranga)।
আন্দোলনের কারণ:
নেতাদের গ্রেপ্তার:
সিজেপি-এর দুই সহ-আহ্বায়ক সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রাঙ্কাকে দিল্লির যন্তর মন্তরে জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং বিক্ষোভ করার অভিযোগে ৫ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে তিহার জেলে পাঠানো হয়েছে।
সিজেপি-এর দাবি:
দলটির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে অভিযোগ করেছেন, যন্তর মন্তরে কেবল জাতীয় পতাকা ওড়ানোর অপরাধে তাঁদের নেতাদের জেলে পাঠানো হয়েছে। তিনি বলেন,“আমরা দেখিয়ে দেব যে তেরঙা (জাতীয় পতাকা) ওড়ানো কোনো অপরাধ নয়।”
তিনি আরও বলেন, “যারা দিল্লিতে আসতে পারবেন না, তাঁরা নিজ নিজ শহরে সন্ধ্যায় তেরঙা পতাকা নিয়ে মিছিল করুন এবং দেখিয়ে দিন যে তেরঙা আমাদের গর্ব,”
“আমরা আমাদের তেরঙ্গা ওড়াব এবং মানুষকে বুঝিয়ে দেব যে তেরঙ্গা ওড়ানো কোনো অপরাধ নয়।”
তিনি বলেন, “এমনও হতে পারে যে আমাকেও জেলে পাঠানো হতে পারে, তবে তা নিয়ে আমার কোনো মাথাব্যথা নেই।”
তিনি আরও বলেন, “কিন্তু আমি চিন্তিত নই। তেরঙা আমার গর্ব এবং আমি তা উড্ডীন করবই,” যোগ করেন সিজেপি-র প্রতিষ্ঠাতা।
দাদির মৃত্যুর কারণে সপ্তাহের শুরুর দিকে গ্রামে ফিরে যেতে হলেও, বুধবার (১৪ অক্টোবর, ২০২৬) মিস্টার দিপক পুনরায় দিল্লিতে ফিরে আসেন।এর আগে রবিবার (১১ অক্টোবর, ২০২৬) তাঁকে, সেই সঙ্গে মিস্টার দাস ও মিস্টার রাঙ্কাকে মুক্তি দেওয়া হয়; ১০ অক্টোবর ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাঁদের আটক করা হয়েছিল। উল্লেখ্য, ওই দিনই সিজেপি যন্তর মন্তরে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (CEC) বিরুদ্ধে বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দিয়েছিল। সিজেপি (CJP)-র পদাধিকারীরা দাবি করেছেন যে, তাঁদের মুক্তি পাওয়ার শর্ত ছিল এই যে, তাঁরা “আগামী এক বছর এমন কোনো কাজে লিপ্ত হবেন না যা শান্তি ও শৃঙ্খলা বিঘ্নিত করে।”
নিউজ সেভেন ডেইজ #news7days
আন্তর্জাতিক ডেস্ক 























