ঢাকা ০১:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ইনস্টাগ্রামে রিলস দেখলেই মিলবে বেতন, কর্মী খুঁজছে প্রতিষ্ঠান ফ্রিতে ওমরাহ করার বিশাল সুযোগ, যেভাবে পাবেন বুয়েটে ভর্তি পরীক্ষা ১৬ জানুয়ারি, আবেদন শুরু ২১ নভেম্বর থেকে ডাবল সেঞ্চুরিতে হৃদয়ের নতুন ইতিহাস কোনো ডিসেম্বরেই ‘আপা’ আসার সুযোগ নেই, এলেও ফাঁ’সির মঞ্চ প্রস্তুত: নাহিদ ইসলাম সার্বভৌমত্ব র‍্যালিতে পায়ে হেঁটে নয়াপল্টন থেকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে বেফাঁস মন্তব্য, নাহিদ ইসলামকে আইনি নোটিশ  আদনান আল রাজীবের চলচ্চিত্র ‘অপলক’ কে নিশো ও মেহজাবীন এনসিপিতে যোগ দিতে যাওয়া প্রসংগে ফারজানা আমার স্ত্রী নন: গোলাম মাওলা রনি যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম মুসলিম সেনেটর আবদুল এল-সাইয়েদ

শ্বাসরুদ্ধকর লড়াইয়ে বাংলাদেশ-আফগানিস্তান ম্যাচ টাই

  • স্পোর্টস ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:১৭:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
  • ২৮ বার পড়া হয়েছে

শ্বাসরুদ্ধকর এক ম্যাচে টাই করেছে আফগানিস্তান ও বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল। ওমানের আল আমেরাত ক্রিকেট গ্রাউন্ডে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে দুই দলই ৩০৪ রান করে। আফগানিস্তানের ৩০৪ রানের জবাবে ৫০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ৩০৪ রানেই থামে বাংলাদেশের ইনিংস। আফগান-বাংলাদেশ যুবাদের ওয়ানডে ম্যাচে এটাই সর্বোচ্চ (৬০৮) মোট রানের রেকর্ড।

শেষ ওভারে জয়ের জন্য ১৫ রান দরকার ছিল বাংলাদেশের। ক্রিজে দুই অপরাজিত লোয়ার অর্ডার ব্যাটার রুবাই ইসলাম রিজন ও শেখ আতিকুর রহমান। আমির হামজার শেষ ওভারে ১৪ রান তুলে হারের মুখ থেকে শ্বাসরুদ্ধকর টাই এনে দেন এই দুজন। রিজন একাই নেন ১২ রান। শেষ বলে দরকার ছিল ২ কিন্তু লেগবাই থেকে ১ রান আসলে সমতায় শেষ হয় ম্যাচ।

টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় আফগানিস্তান। নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ৩০৪ রান সংগ্রহ করে তারা। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৭৬ রান করেন নোমান সালারজাই। ৯০ বলের ইনিংসে পাঁচটি চার ও দুটি ছক্কা মারেন তিনি। এ ছাড়া ফারিদুল্লাহ ইহসাসের ৫১ এবং তাহির সারওয়ারির ৪৩ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংসে বড় সংগ্রহ পায় আফগান যুবারা।

৩০৫ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মুডে ছিল বাংলাদেশ। উদ্বোধনী জুটিতে এসকে জারিফ সিয়াম ও আবদুল্লাহ আল মুহি যোগ করেন ৭০ রান। ২৮ বলে ২২ রান করে জারিফ ফিরলে ভাঙে জুটি। এরপর আবদুল্লাহর সঙ্গে যোগ দেন আলামিন হোসেন রনি। আবদুল্লাহ ৪৫ বলে ৫০ রান করে আউট হওয়ার আগে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১০১ রানে।

শেষ দিকে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। অধিনায়ক ফরিদ হাসান ২৯ বলে ১২ রান করে ফেরেন। রকিবুলের পর ফারিদ, রকিবুলের পরে রবিউল হাসান ১৩ বলে ১৫ রান করে আউট হন। শাকিল খানও ৮ বলে ৪ রান করে ফিরলে বাংলাদেশের জয়ের সমীকরণ আরও কঠিন হয়ে যায়।

তবে শেষ দিকে রুবাই ইসলাম রিজনের ব্যাটে ম্যাচে ফেরার আশা জাগে। মাত্র ১৯ বলে ৩৩ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন তিনি। তার ইনিংসে ছিল তিনটি চার ও দুটি ছক্কা। অন্য প্রান্তে শেখ আতিউর রহমান ৬ বলে অপরাজিত ৩ রান করেন। শেষ পর্যন্ত ৫০ ওভারে ৩০৪ রানেই থামে বাংলাদেশের ইনিংস। আফগানিস্তানের সমান রান করায় ম্যাচটি টাই হয়।

আফগানিস্তানের বোলারদের মধ্যে নূর আলী নিয়াজাই তিনটি উইকেট নেন। সোহেল খান ও লুৎফুল্লাহ মোহাম্মাদি দুটি করে উইকেট শিকার করেন। আমির হামজা পান একটি উইকেট।

ইনস্টাগ্রামে রিলস দেখলেই মিলবে বেতন, কর্মী খুঁজছে প্রতিষ্ঠান

শ্বাসরুদ্ধকর লড়াইয়ে বাংলাদেশ-আফগানিস্তান ম্যাচ টাই

আপডেট সময় ১০:১৭:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

শ্বাসরুদ্ধকর এক ম্যাচে টাই করেছে আফগানিস্তান ও বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল। ওমানের আল আমেরাত ক্রিকেট গ্রাউন্ডে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে দুই দলই ৩০৪ রান করে। আফগানিস্তানের ৩০৪ রানের জবাবে ৫০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ৩০৪ রানেই থামে বাংলাদেশের ইনিংস। আফগান-বাংলাদেশ যুবাদের ওয়ানডে ম্যাচে এটাই সর্বোচ্চ (৬০৮) মোট রানের রেকর্ড।

শেষ ওভারে জয়ের জন্য ১৫ রান দরকার ছিল বাংলাদেশের। ক্রিজে দুই অপরাজিত লোয়ার অর্ডার ব্যাটার রুবাই ইসলাম রিজন ও শেখ আতিকুর রহমান। আমির হামজার শেষ ওভারে ১৪ রান তুলে হারের মুখ থেকে শ্বাসরুদ্ধকর টাই এনে দেন এই দুজন। রিজন একাই নেন ১২ রান। শেষ বলে দরকার ছিল ২ কিন্তু লেগবাই থেকে ১ রান আসলে সমতায় শেষ হয় ম্যাচ।

টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় আফগানিস্তান। নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ৩০৪ রান সংগ্রহ করে তারা। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৭৬ রান করেন নোমান সালারজাই। ৯০ বলের ইনিংসে পাঁচটি চার ও দুটি ছক্কা মারেন তিনি। এ ছাড়া ফারিদুল্লাহ ইহসাসের ৫১ এবং তাহির সারওয়ারির ৪৩ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংসে বড় সংগ্রহ পায় আফগান যুবারা।

৩০৫ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মুডে ছিল বাংলাদেশ। উদ্বোধনী জুটিতে এসকে জারিফ সিয়াম ও আবদুল্লাহ আল মুহি যোগ করেন ৭০ রান। ২৮ বলে ২২ রান করে জারিফ ফিরলে ভাঙে জুটি। এরপর আবদুল্লাহর সঙ্গে যোগ দেন আলামিন হোসেন রনি। আবদুল্লাহ ৪৫ বলে ৫০ রান করে আউট হওয়ার আগে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১০১ রানে।

শেষ দিকে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। অধিনায়ক ফরিদ হাসান ২৯ বলে ১২ রান করে ফেরেন। রকিবুলের পর ফারিদ, রকিবুলের পরে রবিউল হাসান ১৩ বলে ১৫ রান করে আউট হন। শাকিল খানও ৮ বলে ৪ রান করে ফিরলে বাংলাদেশের জয়ের সমীকরণ আরও কঠিন হয়ে যায়।

তবে শেষ দিকে রুবাই ইসলাম রিজনের ব্যাটে ম্যাচে ফেরার আশা জাগে। মাত্র ১৯ বলে ৩৩ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন তিনি। তার ইনিংসে ছিল তিনটি চার ও দুটি ছক্কা। অন্য প্রান্তে শেখ আতিউর রহমান ৬ বলে অপরাজিত ৩ রান করেন। শেষ পর্যন্ত ৫০ ওভারে ৩০৪ রানেই থামে বাংলাদেশের ইনিংস। আফগানিস্তানের সমান রান করায় ম্যাচটি টাই হয়।

আফগানিস্তানের বোলারদের মধ্যে নূর আলী নিয়াজাই তিনটি উইকেট নেন। সোহেল খান ও লুৎফুল্লাহ মোহাম্মাদি দুটি করে উইকেট শিকার করেন। আমির হামজা পান একটি উইকেট।