ভোট গ্রহণের শুরু থেকে গণনা পর্যন্ত ধানের শীষ ও দাঁড়িপাল্লার প্রার্থীর মধ্যে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ চলেছে। দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন অভিযোগ করেন, ধানের শীষের প্রার্থী ফয়সল আমীনের কর্মী-সমর্থকেরা ভয়ভীতি প্রদর্শন, ভোটারদের নানা প্রলোভন দেখিয়ে ভোট টানার চেষ্টা এবং জাল ভোট দেওয়ার সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
অভিযোগ অস্বীকার করে মির্জা ফয়সল আমীন বলেন, নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করে জাতীয় ইস্যু তৈরির উদ্দেশ্যে এসব অপচেষ্টা চালানো হয়েছে। তাঁর ভাষ্য, এ ধরনের চেষ্টা বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের অংশ।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসনে বর্তমান রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রায় ৯৮ হাজার ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছিলেন। ওই নির্বাচনে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন। এবার উপনির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হয়েছেন মির্জা ফখরুলের ছোট ভাই মির্জা ফয়সল আমীন। ফলে আসনটিতে ভোটের আগে থেকেই সবার নজরের পাশাপাশি উত্তেজনা ছিল।
তবে ভোট গ্রহণ শেষে ভোটারদের মধ্যে স্বস্তি দেখা যায়। বড়মাঠ-সংলগ্ন এলাকার ভোটার মাঈনুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা ভেবেছিলাম ভোটে অনেক ঝামেলা হবে। কিন্তু কোনো গোলমাল বা দুর্ঘটনা ঘটেনি। ভালোভাবেই ভোট শেষ হয়েছে।’
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম বলেন, ‘একটি সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠান করতে আমরা বদ্ধপরিকর ছিলাম। বিভিন্ন পর্যায়ের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, প্রশাসনের কর্মকর্তা, বিচারিক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা মাঠে তৎপর ছিলেন। চার বিদেশি পর্যবেক্ষকসহ ১৭৭ জন দেশি ও স্থানীয় পর্যবেক্ষক দায়িত্ব পালন করেছেন। উল্লেখ করার মতো কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।’
নিউজ ডেস্ক 






















