ঢাকা ০১:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ইনস্টাগ্রামে রিলস দেখলেই মিলবে বেতন, কর্মী খুঁজছে প্রতিষ্ঠান ফ্রিতে ওমরাহ করার বিশাল সুযোগ, যেভাবে পাবেন বুয়েটে ভর্তি পরীক্ষা ১৬ জানুয়ারি, আবেদন শুরু ২১ নভেম্বর থেকে ডাবল সেঞ্চুরিতে হৃদয়ের নতুন ইতিহাস কোনো ডিসেম্বরেই ‘আপা’ আসার সুযোগ নেই, এলেও ফাঁ’সির মঞ্চ প্রস্তুত: নাহিদ ইসলাম সার্বভৌমত্ব র‍্যালিতে পায়ে হেঁটে নয়াপল্টন থেকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে বেফাঁস মন্তব্য, নাহিদ ইসলামকে আইনি নোটিশ  আদনান আল রাজীবের চলচ্চিত্র ‘অপলক’ কে নিশো ও মেহজাবীন এনসিপিতে যোগ দিতে যাওয়া প্রসংগে ফারজানা আমার স্ত্রী নন: গোলাম মাওলা রনি যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম মুসলিম সেনেটর আবদুল এল-সাইয়েদ

শেরেবাংলা নগরে বাণিজ্য মেলার পুরাতন মাঠে সচিবালয় স্থানান্তরের পরিকল্পনা, আন্দোলনে যাচ্ছে শেকৃবি

  • নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৪৩:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
  • ৩২ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠে নতুন সচিবালয় নির্মাণের সরকারি পরিকল্পনা ছড়িয়ে পড়ার পর তীব্র ক্ষোভে ফুসে উঠেছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

জমি রক্ষা ও গবেষণার অধিকার পুনরুদ্ধারের দাবিতে আগামীকাল কঠোর আন্দোলনের ঘোষণা দিয়েছেন তারা। একই সঙ্গে নগরীর যানজট নিরসন ও পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় সচিবালয় নির্মাণের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছেন পরিবেশবিদ ও নগর পরিকল্পনাবিদরা।

আন্দোলন কারীদের সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘ দিন ধরে প্রশাসনিক জটিলতায় আটকে থাকা ঐতিহাসিক মাঠটি ফেরত পাওয়ার দাবি জানিয়ে আসছিলেন শেকৃবি পরিবার। সম্প্রতি সেখানে নতুন সচিবালয় গড়ে তোলার খবর গণমাধ্যমে আসার পর শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে হাতছাড়া হওয়া পৈতৃক জমি উদ্ধার ও সেখানে সচিবালয় নির্মাণের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে আগামীকাল থেকে বড় ধরনের আন্দোলনে নামছেন ক্যাম্পাসের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। আন্দোলনরতদের স্পষ্ট বার্তা গবেষণার জমি হাতছাড়া হতে দেওয়া হবে না। কালকের (বৃহস্পতিবার) কর্মসূচির অংশ হিসেবে রাজধানীর শাহবাগ থেকে মিছিল নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দেবে আন্দোলনকারীরা। জাতীয় প্রেস ক্লাবে করা হবে সংবাদ সম্মেলন।

এদিকে জাতীয় সংসদ ভবনসংলগ্ন আগারগাঁওয়ের উন্মুক্ত স্থানে নতুন সচিবালয় কমপ্লেক্স নির্মাণের পরিকল্পনা পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা)। সংগঠনটি বলেছে, এ ধরনের স্থাপনা নির্মাণের আগে জাতীয় সংসদ ভবনের স্থাপনার ঐতিহ্য, উন্মুক্ত স্থান সংরক্ষণ, যানজট এবং দীর্ঘমেয়াদি নগর ব্যবস্থাপনার ওপর সম্ভাব্য প্রভাব মূল্যায়ন করা জরুরি। বাপার সভাপতি অধ্যাপক ড. নুর মোহাম্মদ তালুকদার ও সাধারণ সম্পাদক মো. আলমগীর কবির এক বিবৃতিতে এ দাবি জানান।

বিবৃতিতে বলা হয়, আগারগাঁও ও রোকেয়া সরণি এলাকায় সরকারি-বেসরকারি দপ্তর, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য নগর কার্যক্রম বেড়েছে। সেখানে বৃহৎ প্রশাসনিক কমপ্লেক্স নির্মাণ হলে কর্মকর্তা-কর্মচারী, সেবাগ্রহীতা ও যানবাহনের চলাচল বাড়বে। এতে সড়ক যোগাযোগ, গণপরিবহন, পথচারীদের চলাচল এবং আশপাশের নগরজীবনে বাড়তি চাপ তৈরি হতে পারে।

এ বিষয়ে পরিবেশবিদ অধ্যাপক ড. আহমদ কামরুজ্জামান মজুমদার দেশ রূপান্তরকে বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে শুধু সচিবালয় না রাজধানীটাকেই স্থানান্তরের কথা বলে আসছি সেখানে আগারগাঁও এ আবার নতুন সচিবালয় হলে কোন পরিবর্তন আসবে এমন কোন শক্ত কারণ খুজে পাচ্ছি না। সরকার আগারগাঁও কে নিরব এলাকা ঘোষণা করার পরেও সেখানে শব্দদূষণ খুব একটা কমে নাই সেখানে আবার নতুন করে সচিবালয়ের মত প্রতিষ্ঠান যাওয়ার কোন কারণ দেখছি না। সরকার কি ভেবে এরূপ সীদ্ধান্ত নিচ্ছে তা তারা ভালো বলতে পারবে তবে পরিবেশগত দিক থেকে উন্নত কোন দিক দেখছি না।

তিনি আরও বলেন, যেকোন স্থাপনা কোথাও করতে হলে পরিবেশগত প্রভাব মূল্যায়ন করতে হয় কিন্তু আমরা ঠিক জানি না  এখানে তা করা হয়েছে কিনা,  যদি না হয়ে থাকে তাহলে অবশ্যই তা করা উচিত।  আর মূল্যায়ন হয়ে থাকে তাহলে তা পাবলিক করার দাবি জানান তিনি।

আবদুল গনি রোড থেকে সরছে সচিবালয় বসবে আদালত নীতিগত সিদ্ধান্ত

পুরান ঢাকার আদালতপাড়ার স্থানসংকট ও অবকাঠামোগত সমস্যা দূর করতে নবাব আবদুল গণি রোডের বর্তমান সচিবালয় এলাকায় নিম্ন আদালত স্থানান্তরের পরিকল্পনা করছে সরকার। অন্যদিকে, সচিবালয় সরিয়ে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের পুরনো বাণিজ্য মেলার মাঠে নেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। নতুন সচিবালয়ের ভবনগুলোর অবস্থান নির্ধারণ করে লে-আউট প্রস্তুত করেছে গণপূর্ত অধিদপ্তর।<span;>

প্রস্তাবিত প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ হাজার ৪০৯ কোটি ৪৪ লাখ ২৯ হাজার টাকা। ২০২৬ সালের নভেম্বর থেকে ২০২৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রকল্পের মেয়াদ প্রস্তাব করা হয়েছে। নকশাটি পছন্দ করার পর সরকারপ্রধান প্রকল্পটি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) সবুজ বইয়ে অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন বলে আন্তমন্ত্রণালয় বৈঠকে অংশ নেওয়া একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন।

১৩ ই অক্টোবর <span;>বাংলাদেশ সচিবালয় আগারগাঁওয়ে স্থানান্তরের প্রস্তাব আগামী মন্ত্রিসভা বৈঠকে অনুমোদনের জন্য তোলা হবে বলে জানিয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের। মন্ত্রিসভার অনুমোদন পেলে স্থানান্তরের মূল কার্যক্রম শুরু হবে। বর্তমান সরকারের মেয়াদেই সচিবালয় স্থানান্তরের লক্ষ্য নিয়ে প্রস্তুতিমূলক কাজ চলছে।

বর্তমান সচিবালয়ে প্রায়ই গাড়ি পার্কিং এবং স্থান সংকটের কারণে জটিলতা তৈরি হচ্ছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, অনেকগুলো মন্ত্রণালয়ের দপ্তর মূল ভবনের বাইরে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রাখতে হচ্ছে।

তাছাড়া বর্তমানে সচিবালয়ের বেশিরভাগ ভবন ১৯৬০-এর দশকে তৈরি হওয়ায় সেগুলো বেশ পুরোনো হয়ে গেছে। ভূমিকম্পসহ যে কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগে সুরক্ষা ও সুরক্ষাজনিত ঝুঁকির কথা বিবেচনা করে এসব ভবনের মেরামত ও স্থায়ী বিকল্প খোঁজা জরুরি হয়ে পড়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা ও সদিচ্ছার কথা উল্লেখ করে জাকারিয়া তাহের বলেন, মন্ত্রিসভার আনুষ্ঠানিক অনুমোদন পেলে বর্তমান সরকারের নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই নির্মাণ ও স্থানান্তরের সব প্রাথমিক ও মূল কাজ সম্পন্ন করার লক্ষ্য রয়েছে।

তিনি বলেন, আমাদের ধারণাগত পরিকল্পনায় প্রায় ৩০ থেকে ৩২ লাখ বর্গফুট জায়গার প্রয়োজন হতে পারে। বর্তমানে সচিবালয়ে প্রায় ১৫ লাখ বর্গফুট জায়গা রয়েছে। নতুন জায়গায় গেলে বর্তমানের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ জায়গা পাওয়া যাবে।
তবে স্থানান্তরের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি।

মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছা এবং মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে আমরা এগোতে চাই। সিদ্ধান্ত হলে বর্তমান সরকারের মেয়াদকালেই কাজটি সম্পন্ন করার চেষ্টা করবো, যেন প্রধানমন্ত্রী নতুন সচিবালয়ে অফিস করতে পারেন। 

নিউজ সেভেন ডেইজ news7days

ইনস্টাগ্রামে রিলস দেখলেই মিলবে বেতন, কর্মী খুঁজছে প্রতিষ্ঠান

শেরেবাংলা নগরে বাণিজ্য মেলার পুরাতন মাঠে সচিবালয় স্থানান্তরের পরিকল্পনা, আন্দোলনে যাচ্ছে শেকৃবি

আপডেট সময় ১১:৪৩:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠে নতুন সচিবালয় নির্মাণের সরকারি পরিকল্পনা ছড়িয়ে পড়ার পর তীব্র ক্ষোভে ফুসে উঠেছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

জমি রক্ষা ও গবেষণার অধিকার পুনরুদ্ধারের দাবিতে আগামীকাল কঠোর আন্দোলনের ঘোষণা দিয়েছেন তারা। একই সঙ্গে নগরীর যানজট নিরসন ও পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় সচিবালয় নির্মাণের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছেন পরিবেশবিদ ও নগর পরিকল্পনাবিদরা।

আন্দোলন কারীদের সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘ দিন ধরে প্রশাসনিক জটিলতায় আটকে থাকা ঐতিহাসিক মাঠটি ফেরত পাওয়ার দাবি জানিয়ে আসছিলেন শেকৃবি পরিবার। সম্প্রতি সেখানে নতুন সচিবালয় গড়ে তোলার খবর গণমাধ্যমে আসার পর শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে হাতছাড়া হওয়া পৈতৃক জমি উদ্ধার ও সেখানে সচিবালয় নির্মাণের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে আগামীকাল থেকে বড় ধরনের আন্দোলনে নামছেন ক্যাম্পাসের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। আন্দোলনরতদের স্পষ্ট বার্তা গবেষণার জমি হাতছাড়া হতে দেওয়া হবে না। কালকের (বৃহস্পতিবার) কর্মসূচির অংশ হিসেবে রাজধানীর শাহবাগ থেকে মিছিল নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দেবে আন্দোলনকারীরা। জাতীয় প্রেস ক্লাবে করা হবে সংবাদ সম্মেলন।

এদিকে জাতীয় সংসদ ভবনসংলগ্ন আগারগাঁওয়ের উন্মুক্ত স্থানে নতুন সচিবালয় কমপ্লেক্স নির্মাণের পরিকল্পনা পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা)। সংগঠনটি বলেছে, এ ধরনের স্থাপনা নির্মাণের আগে জাতীয় সংসদ ভবনের স্থাপনার ঐতিহ্য, উন্মুক্ত স্থান সংরক্ষণ, যানজট এবং দীর্ঘমেয়াদি নগর ব্যবস্থাপনার ওপর সম্ভাব্য প্রভাব মূল্যায়ন করা জরুরি। বাপার সভাপতি অধ্যাপক ড. নুর মোহাম্মদ তালুকদার ও সাধারণ সম্পাদক মো. আলমগীর কবির এক বিবৃতিতে এ দাবি জানান।

বিবৃতিতে বলা হয়, আগারগাঁও ও রোকেয়া সরণি এলাকায় সরকারি-বেসরকারি দপ্তর, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য নগর কার্যক্রম বেড়েছে। সেখানে বৃহৎ প্রশাসনিক কমপ্লেক্স নির্মাণ হলে কর্মকর্তা-কর্মচারী, সেবাগ্রহীতা ও যানবাহনের চলাচল বাড়বে। এতে সড়ক যোগাযোগ, গণপরিবহন, পথচারীদের চলাচল এবং আশপাশের নগরজীবনে বাড়তি চাপ তৈরি হতে পারে।

এ বিষয়ে পরিবেশবিদ অধ্যাপক ড. আহমদ কামরুজ্জামান মজুমদার দেশ রূপান্তরকে বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে শুধু সচিবালয় না রাজধানীটাকেই স্থানান্তরের কথা বলে আসছি সেখানে আগারগাঁও এ আবার নতুন সচিবালয় হলে কোন পরিবর্তন আসবে এমন কোন শক্ত কারণ খুজে পাচ্ছি না। সরকার আগারগাঁও কে নিরব এলাকা ঘোষণা করার পরেও সেখানে শব্দদূষণ খুব একটা কমে নাই সেখানে আবার নতুন করে সচিবালয়ের মত প্রতিষ্ঠান যাওয়ার কোন কারণ দেখছি না। সরকার কি ভেবে এরূপ সীদ্ধান্ত নিচ্ছে তা তারা ভালো বলতে পারবে তবে পরিবেশগত দিক থেকে উন্নত কোন দিক দেখছি না।

তিনি আরও বলেন, যেকোন স্থাপনা কোথাও করতে হলে পরিবেশগত প্রভাব মূল্যায়ন করতে হয় কিন্তু আমরা ঠিক জানি না  এখানে তা করা হয়েছে কিনা,  যদি না হয়ে থাকে তাহলে অবশ্যই তা করা উচিত।  আর মূল্যায়ন হয়ে থাকে তাহলে তা পাবলিক করার দাবি জানান তিনি।

আবদুল গনি রোড থেকে সরছে সচিবালয় বসবে আদালত নীতিগত সিদ্ধান্ত

পুরান ঢাকার আদালতপাড়ার স্থানসংকট ও অবকাঠামোগত সমস্যা দূর করতে নবাব আবদুল গণি রোডের বর্তমান সচিবালয় এলাকায় নিম্ন আদালত স্থানান্তরের পরিকল্পনা করছে সরকার। অন্যদিকে, সচিবালয় সরিয়ে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের পুরনো বাণিজ্য মেলার মাঠে নেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। নতুন সচিবালয়ের ভবনগুলোর অবস্থান নির্ধারণ করে লে-আউট প্রস্তুত করেছে গণপূর্ত অধিদপ্তর।<span;>

প্রস্তাবিত প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ হাজার ৪০৯ কোটি ৪৪ লাখ ২৯ হাজার টাকা। ২০২৬ সালের নভেম্বর থেকে ২০২৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রকল্পের মেয়াদ প্রস্তাব করা হয়েছে। নকশাটি পছন্দ করার পর সরকারপ্রধান প্রকল্পটি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) সবুজ বইয়ে অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন বলে আন্তমন্ত্রণালয় বৈঠকে অংশ নেওয়া একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন।

১৩ ই অক্টোবর <span;>বাংলাদেশ সচিবালয় আগারগাঁওয়ে স্থানান্তরের প্রস্তাব আগামী মন্ত্রিসভা বৈঠকে অনুমোদনের জন্য তোলা হবে বলে জানিয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের। মন্ত্রিসভার অনুমোদন পেলে স্থানান্তরের মূল কার্যক্রম শুরু হবে। বর্তমান সরকারের মেয়াদেই সচিবালয় স্থানান্তরের লক্ষ্য নিয়ে প্রস্তুতিমূলক কাজ চলছে।

বর্তমান সচিবালয়ে প্রায়ই গাড়ি পার্কিং এবং স্থান সংকটের কারণে জটিলতা তৈরি হচ্ছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, অনেকগুলো মন্ত্রণালয়ের দপ্তর মূল ভবনের বাইরে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রাখতে হচ্ছে।

তাছাড়া বর্তমানে সচিবালয়ের বেশিরভাগ ভবন ১৯৬০-এর দশকে তৈরি হওয়ায় সেগুলো বেশ পুরোনো হয়ে গেছে। ভূমিকম্পসহ যে কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগে সুরক্ষা ও সুরক্ষাজনিত ঝুঁকির কথা বিবেচনা করে এসব ভবনের মেরামত ও স্থায়ী বিকল্প খোঁজা জরুরি হয়ে পড়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা ও সদিচ্ছার কথা উল্লেখ করে জাকারিয়া তাহের বলেন, মন্ত্রিসভার আনুষ্ঠানিক অনুমোদন পেলে বর্তমান সরকারের নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই নির্মাণ ও স্থানান্তরের সব প্রাথমিক ও মূল কাজ সম্পন্ন করার লক্ষ্য রয়েছে।

তিনি বলেন, আমাদের ধারণাগত পরিকল্পনায় প্রায় ৩০ থেকে ৩২ লাখ বর্গফুট জায়গার প্রয়োজন হতে পারে। বর্তমানে সচিবালয়ে প্রায় ১৫ লাখ বর্গফুট জায়গা রয়েছে। নতুন জায়গায় গেলে বর্তমানের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ জায়গা পাওয়া যাবে।
তবে স্থানান্তরের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি।

মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছা এবং মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে আমরা এগোতে চাই। সিদ্ধান্ত হলে বর্তমান সরকারের মেয়াদকালেই কাজটি সম্পন্ন করার চেষ্টা করবো, যেন প্রধানমন্ত্রী নতুন সচিবালয়ে অফিস করতে পারেন। 

নিউজ সেভেন ডেইজ news7days