ঢাকা ০২:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ইনস্টাগ্রামে রিলস দেখলেই মিলবে বেতন, কর্মী খুঁজছে প্রতিষ্ঠান ফ্রিতে ওমরাহ করার বিশাল সুযোগ, যেভাবে পাবেন বুয়েটে ভর্তি পরীক্ষা ১৬ জানুয়ারি, আবেদন শুরু ২১ নভেম্বর থেকে ডাবল সেঞ্চুরিতে হৃদয়ের নতুন ইতিহাস কোনো ডিসেম্বরেই ‘আপা’ আসার সুযোগ নেই, এলেও ফাঁ’সির মঞ্চ প্রস্তুত: নাহিদ ইসলাম সার্বভৌমত্ব র‍্যালিতে পায়ে হেঁটে নয়াপল্টন থেকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে বেফাঁস মন্তব্য, নাহিদ ইসলামকে আইনি নোটিশ  আদনান আল রাজীবের চলচ্চিত্র ‘অপলক’ কে নিশো ও মেহজাবীন এনসিপিতে যোগ দিতে যাওয়া প্রসংগে ফারজানা আমার স্ত্রী নন: গোলাম মাওলা রনি যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম মুসলিম সেনেটর আবদুল এল-সাইয়েদ

ইনানীর রিসোর্টে আগুন : খোঁজ নেই একই পরিবারের স্বামী স্ত্রী ও দুই শিশু কন্যা

  • নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৩৬:১৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৫ বার পড়া হয়েছে

তারা হলেন— মনিরামপুর পৌরসভার মোহনপুর গ্রামের মতিয়ার রহমানের ছেলে নাহিদুর রহমান (৪১), তার স্ত্রী আফসানা মতিন তানজি (৩৬) এবং তাদের দুই শিশুকন্যা রুজাইনা ইনায়া (৭) ও সুনাইনা ইহানা (৩)।

স্বজনরা তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পেরে উদ্বেগে আছেন। তাদের জীবিত বা মৃত থাকার বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

নাহিদুর রহমান ঢাকার শ্যামলীতে গ্র্যান্ড পাওয়ার লিমিটেড নামের একটি প্রতিষ্ঠানে কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি পরিবার নিয়ে রাজধানীর মিরপুরের শেওড়াপাড়ায় বসবাস করতেন। অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে তার পরিবারের সদস্য ও সহকর্মীরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করছেন।

নাহিদুরের চাচাতো ভাই ও মনিরামপুর হাসপাতাল মোড়ের ওষুধ ব্যবসায়ী রিয়াজ উদ্দিন জানিয়েছেন, শুক্রবার স্ত্রী ও দুই মেয়েকে নিয়ে কক্সবাজারের ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টে ওঠেন নাহিদুর। দুই দিন অবস্থান শেষে রবিবার তাদের রিসোর্ট ছাড়ার কথা ছিল। তবে শুক্রবার রাত ১২টার পর থেকে নাহিদুরের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

গতকাল শনিবার সকালে রিসোর্টে আগুন লাগার খবর পাওয়ার পর স্বজনরা নাহিদুরের স্ত্রী তানজির মোবাইল ফোনেও যোগাযোগের চেষ্টা করেন। তার ফোনও বন্ধ পাওয়া যায়। রিয়াজ উদ্দিন জানালেন, তাদের মোবাইল ফোনের সর্বশেষ অবস্থান রিসোর্ট এলাকায় দেখাচ্ছিল। দিনভর খোঁজাখুঁজি করেও তাদের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

গতকাল সন্ধ্যায় রিসোর্টের শৌচাগার থেকে পরস্পরকে জড়িয়ে থাকা অবস্থায় চারজনের দগ্ধ মরদেহ উদ্ধারের খবর ছড়িয়ে পড়লে স্বজনদের মধ্যে উদ্বেগ আরও বেড়ে যায়। তাদের আশঙ্কা, উদ্ধার হওয়া মরদেহগুলোর মধ্যে নাহিদুর ও তার পরিবারের সদস্যরা থাকতে পারেন। তবে মরদেহগুলোর পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

নাহিদুরের বাবা মতিয়ার রহমান (৭৫) মনিরামপুরের মোহনপুর গ্রামের বাড়িতে একা থাকেন। তিনি জানিয়েছেন, কী ঘটেছে, তা এখনো তার জানা নেই। তার ছেলে নিখোঁজ। নাহিদুরের বড় ভাই জাহিদুর রহমান প্রিন্স পরিবারের সদস্যদের খোঁজে কক্সবাজারের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।

জাহিদুর রহমান প্রিন্স বলেছেন, শনিবার থেকে নাহিদুরের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হচ্ছে না। আমার ভাই, ভাবি ও দুই ভাতিজি বেঁচে আছেন কি না, তা আমরা নিশ্চিত নই। কক্সবাজারে পৌঁছানোর পর প্রকৃত অবস্থা জানা যাবে।

মনিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সম্রাট হোসেন জানিয়েছেন, কক্সবাজারে অগ্নিকাণ্ডের পর মনিরামপুরের একই পরিবারের চারজন নিখোঁজ রয়েছেন। তবে তাদের মরদেহ এখনো শনাক্ত হয়নি। ফলে তারা জীবিত নাকি মৃত, তা নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়।

নিউজ সেভেন ডেইজ  news7days 

ইনস্টাগ্রামে রিলস দেখলেই মিলবে বেতন, কর্মী খুঁজছে প্রতিষ্ঠান

ইনানীর রিসোর্টে আগুন : খোঁজ নেই একই পরিবারের স্বামী স্ত্রী ও দুই শিশু কন্যা

আপডেট সময় ১২:৩৬:১৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

তারা হলেন— মনিরামপুর পৌরসভার মোহনপুর গ্রামের মতিয়ার রহমানের ছেলে নাহিদুর রহমান (৪১), তার স্ত্রী আফসানা মতিন তানজি (৩৬) এবং তাদের দুই শিশুকন্যা রুজাইনা ইনায়া (৭) ও সুনাইনা ইহানা (৩)।

স্বজনরা তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পেরে উদ্বেগে আছেন। তাদের জীবিত বা মৃত থাকার বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

নাহিদুর রহমান ঢাকার শ্যামলীতে গ্র্যান্ড পাওয়ার লিমিটেড নামের একটি প্রতিষ্ঠানে কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি পরিবার নিয়ে রাজধানীর মিরপুরের শেওড়াপাড়ায় বসবাস করতেন। অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে তার পরিবারের সদস্য ও সহকর্মীরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করছেন।

নাহিদুরের চাচাতো ভাই ও মনিরামপুর হাসপাতাল মোড়ের ওষুধ ব্যবসায়ী রিয়াজ উদ্দিন জানিয়েছেন, শুক্রবার স্ত্রী ও দুই মেয়েকে নিয়ে কক্সবাজারের ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টে ওঠেন নাহিদুর। দুই দিন অবস্থান শেষে রবিবার তাদের রিসোর্ট ছাড়ার কথা ছিল। তবে শুক্রবার রাত ১২টার পর থেকে নাহিদুরের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

গতকাল শনিবার সকালে রিসোর্টে আগুন লাগার খবর পাওয়ার পর স্বজনরা নাহিদুরের স্ত্রী তানজির মোবাইল ফোনেও যোগাযোগের চেষ্টা করেন। তার ফোনও বন্ধ পাওয়া যায়। রিয়াজ উদ্দিন জানালেন, তাদের মোবাইল ফোনের সর্বশেষ অবস্থান রিসোর্ট এলাকায় দেখাচ্ছিল। দিনভর খোঁজাখুঁজি করেও তাদের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

গতকাল সন্ধ্যায় রিসোর্টের শৌচাগার থেকে পরস্পরকে জড়িয়ে থাকা অবস্থায় চারজনের দগ্ধ মরদেহ উদ্ধারের খবর ছড়িয়ে পড়লে স্বজনদের মধ্যে উদ্বেগ আরও বেড়ে যায়। তাদের আশঙ্কা, উদ্ধার হওয়া মরদেহগুলোর মধ্যে নাহিদুর ও তার পরিবারের সদস্যরা থাকতে পারেন। তবে মরদেহগুলোর পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

নাহিদুরের বাবা মতিয়ার রহমান (৭৫) মনিরামপুরের মোহনপুর গ্রামের বাড়িতে একা থাকেন। তিনি জানিয়েছেন, কী ঘটেছে, তা এখনো তার জানা নেই। তার ছেলে নিখোঁজ। নাহিদুরের বড় ভাই জাহিদুর রহমান প্রিন্স পরিবারের সদস্যদের খোঁজে কক্সবাজারের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।

জাহিদুর রহমান প্রিন্স বলেছেন, শনিবার থেকে নাহিদুরের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হচ্ছে না। আমার ভাই, ভাবি ও দুই ভাতিজি বেঁচে আছেন কি না, তা আমরা নিশ্চিত নই। কক্সবাজারে পৌঁছানোর পর প্রকৃত অবস্থা জানা যাবে।

মনিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সম্রাট হোসেন জানিয়েছেন, কক্সবাজারে অগ্নিকাণ্ডের পর মনিরামপুরের একই পরিবারের চারজন নিখোঁজ রয়েছেন। তবে তাদের মরদেহ এখনো শনাক্ত হয়নি। ফলে তারা জীবিত নাকি মৃত, তা নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়।

নিউজ সেভেন ডেইজ  news7days