ঢাকা ১২:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
প্রতিদিন টক দই খাওয়ার যেসব উপকার জানলে অবাক হবেন জেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষক হলেন ‘আজ কেন মন উদাসী হয়ে’ গানের আলোচিত সেই বিউটি রাণী সরকারি হাসপাতালের ১ কিলোমিটারের মধ্যে নতুন ক্লিনিক নয় ঢাকা-চট্টগ্রামসহ ১২ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস রোহিঙ্গাদের নিজ ভূমিতে নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের কোনো বিকল্প নেই : প্রধানমন্ত্রী মিরপুর বিআরটিএতে ভ্রাম্যমাণ আদালত, দালালের তিন মাসের কারাদণ্ড গুলশান ও বনানী থানায় নতুন ওসি মার্কিন প্রেসিডেন্টের নৈশভোজে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ ধানমন্ডি লেকে সাবেক মার্কেটিং কনসালটেন্টের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীদের মারধর নিষিদ্ধ, মহিলা আবাসিক না রাখার পরামর্শ

ঢাকা ক্লাবের সভাপতিসহ ৪ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের মামলা,আদালতে হাজির হতে সমন জারি

  • নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:৩৫:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
  • ২৮ বার পড়া হয়েছে

সংগৃহীত

অভিজাত সামাজিক প্রতিষ্ঠান ‘ঢাকা ক্লাব লিমিটেড’র সাবেক এক কর্মচারীর পাওনা টাকা প্রতারণামূলকভাবে আত্মসাৎ এবং প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে ক্লাবটির সভাপতিসহ শীর্ষ চার কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঢাকার আদালতে মামলা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমানের আদালতে ক্লাবের সাবেক কর্মচারী আশিক মোল্লা বাদী হয়ে মামলার আবেদন করেন। আদালত বাদীর জবানবন্দি রেকর্ড করে অভিযোগ আমলে নেন। একইসঙ্গে আসামিদের আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর আদালতে হাজির হতে নির্দেশ দেন।

আসামিরা হলেন- ঢাকা ক্লাবের সভাপতি ও রবিন প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিংয়ের পরিচালক শামীম হোসেন, ডাইরেক্টর ফাইন্যান্স তুহিন রেজা,সিও এবং সচিব লে. কর্নেল (অব.) ছাব্বির আহম্মেদ, চিফ ফাইন্যান্স অফিসার ইকবাল হোসেন।

মামলায় বাদী আশিক মোল্লা উল্লেখ করেন, তিনি ২০১৭ সালের ২৩ নভেম্বর ঢাকা ক্লাবে ‘অ্যাটেন্ডেন্ট’ পদে যোগদান করেন এবং ২০১৮ সালের ১৯ আগস্ট স্থায়ী নিয়োগ পান।দীর্ঘ দিন সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের পর চলতি বছরের ২৬ জানুয়ারি তাকে চাকরি বিধিমালা লঙ্ঘন করে অন্যায়ভাবে সাময়িক বরখাস্ত রাখা হয়। পরবর্তী সময়ে দীর্ঘ ৬ মাস বরখাস্ত রাখার পর ২৭ জুলাই তাকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।বাদীর সার্ভিস বেনিফিট, প্রভিডেন্ট ফান্ড, গ্র্যাচুয়েটি, নোটিশ পে ও বকেয়া বেতন বাবদ মোট ৪,৯০,০০০/- (চার লাখ নব্বই হাজার) টাকা পাওনা হয়। পাওনা টাকা না পেয়ে বাদী কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের উপমহাপরিদর্শকের কার্যালয়ে বাংলাদেশ শ্রম আইনের ১২৪(ক)-এর (৫) ধারায় মধ্যস্থতার আবেদন জানান। তবে আসামিরা নোটিশ পেয়েও মধ্যস্থতায় উপস্থিত না হওয়ায় শ্রম পরিদর্শক বাদীকে লিখিত ছাড়পত্র প্রদান করেন। ছাড়পত্র পাওয়ার পর গত ১৫ আগস্ট ২০২৬ তারিখে বাদী ঢাকা ক্লাবে গেলে আসামিরা তাকে ১ লাখ ১৬ হাজার ৯৮১ টাকার একটি চেক দেন। তবে অবশিষ্ট তিন লাখ তেহাত্তর হাজার উনিশ টাকা দিতে সাফ অস্বীকৃতি জানান। সেই টাকা নিয়ে বেশি বাড়াবাড়ি করলে আসামিরা তাকে মেরে ফেলার হুমকি দেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

প্রতিদিন টক দই খাওয়ার যেসব উপকার জানলে অবাক হবেন

ঢাকা ক্লাবের সভাপতিসহ ৪ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের মামলা,আদালতে হাজির হতে সমন জারি

আপডেট সময় ১০:৩৫:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬

অভিজাত সামাজিক প্রতিষ্ঠান ‘ঢাকা ক্লাব লিমিটেড’র সাবেক এক কর্মচারীর পাওনা টাকা প্রতারণামূলকভাবে আত্মসাৎ এবং প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে ক্লাবটির সভাপতিসহ শীর্ষ চার কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঢাকার আদালতে মামলা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমানের আদালতে ক্লাবের সাবেক কর্মচারী আশিক মোল্লা বাদী হয়ে মামলার আবেদন করেন। আদালত বাদীর জবানবন্দি রেকর্ড করে অভিযোগ আমলে নেন। একইসঙ্গে আসামিদের আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর আদালতে হাজির হতে নির্দেশ দেন।

আসামিরা হলেন- ঢাকা ক্লাবের সভাপতি ও রবিন প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিংয়ের পরিচালক শামীম হোসেন, ডাইরেক্টর ফাইন্যান্স তুহিন রেজা,সিও এবং সচিব লে. কর্নেল (অব.) ছাব্বির আহম্মেদ, চিফ ফাইন্যান্স অফিসার ইকবাল হোসেন।

মামলায় বাদী আশিক মোল্লা উল্লেখ করেন, তিনি ২০১৭ সালের ২৩ নভেম্বর ঢাকা ক্লাবে ‘অ্যাটেন্ডেন্ট’ পদে যোগদান করেন এবং ২০১৮ সালের ১৯ আগস্ট স্থায়ী নিয়োগ পান।দীর্ঘ দিন সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের পর চলতি বছরের ২৬ জানুয়ারি তাকে চাকরি বিধিমালা লঙ্ঘন করে অন্যায়ভাবে সাময়িক বরখাস্ত রাখা হয়। পরবর্তী সময়ে দীর্ঘ ৬ মাস বরখাস্ত রাখার পর ২৭ জুলাই তাকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।বাদীর সার্ভিস বেনিফিট, প্রভিডেন্ট ফান্ড, গ্র্যাচুয়েটি, নোটিশ পে ও বকেয়া বেতন বাবদ মোট ৪,৯০,০০০/- (চার লাখ নব্বই হাজার) টাকা পাওনা হয়। পাওনা টাকা না পেয়ে বাদী কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের উপমহাপরিদর্শকের কার্যালয়ে বাংলাদেশ শ্রম আইনের ১২৪(ক)-এর (৫) ধারায় মধ্যস্থতার আবেদন জানান। তবে আসামিরা নোটিশ পেয়েও মধ্যস্থতায় উপস্থিত না হওয়ায় শ্রম পরিদর্শক বাদীকে লিখিত ছাড়পত্র প্রদান করেন। ছাড়পত্র পাওয়ার পর গত ১৫ আগস্ট ২০২৬ তারিখে বাদী ঢাকা ক্লাবে গেলে আসামিরা তাকে ১ লাখ ১৬ হাজার ৯৮১ টাকার একটি চেক দেন। তবে অবশিষ্ট তিন লাখ তেহাত্তর হাজার উনিশ টাকা দিতে সাফ অস্বীকৃতি জানান। সেই টাকা নিয়ে বেশি বাড়াবাড়ি করলে আসামিরা তাকে মেরে ফেলার হুমকি দেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়।