ঢাকা ০৮:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
প্রতিদিন টক দই খাওয়ার যেসব উপকার জানলে অবাক হবেন জেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষক হলেন ‘আজ কেন মন উদাসী হয়ে’ গানের আলোচিত সেই বিউটি রাণী সরকারি হাসপাতালের ১ কিলোমিটারের মধ্যে নতুন ক্লিনিক নয় ঢাকা-চট্টগ্রামসহ ১২ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস রোহিঙ্গাদের নিজ ভূমিতে নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের কোনো বিকল্প নেই : প্রধানমন্ত্রী মিরপুর বিআরটিএতে ভ্রাম্যমাণ আদালত, দালালের তিন মাসের কারাদণ্ড গুলশান ও বনানী থানায় নতুন ওসি মার্কিন প্রেসিডেন্টের নৈশভোজে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ ধানমন্ডি লেকে সাবেক মার্কেটিং কনসালটেন্টের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীদের মারধর নিষিদ্ধ, মহিলা আবাসিক না রাখার পরামর্শ

ফেসবুক-ইনস্টাগ্রাম শিশুদের ক্ষতি করে মামলা, ১৬৬৮ শতকোটি ডলারে রফা মেটার

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১০:১৭:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬
  • ১৮ বার পড়া হয়েছে

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম শিশুদের মানসিক ও শারীরিকভাবে ক্ষতি করছে—যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের দায়ের করা একটি মামলা নিষ্পত্তির জন্য শতকোটি ডলার (১৭.১ বিলিয়ন ডলার) ক্ষতিপূরণ দিতে সম্মত হয়েছে এর মূল প্রতিষ্ঠান মেটা।

আদালতের অনুমোদন সাপেক্ষে কার্যকর হতে যাওয়া এই চুক্তির অধীনে শুধু আর্থিক ক্ষতিপূরণই নয়, কিশোর-কিশোরী ব্যবহারকারীদের জন্য দৈনিক ব্যবহারের সময়সীমা নির্ধারণ এবং রাতে অ্যাপ ব্যবহারে বাধানিষেধের মতো বেশ কিছু নতুন নিয়ম চালু করতে বাধ্য থাকবে মেটা।ক্যালিফোর্নিয়ার ওকল্যান্ডে চলমান এই বিচার এক সপ্তাহ আগে শুরু হয়েছিল এবং ছয় সপ্তাহ ধরে চলার কথা ছিল। তবে সমঝোতার মাধ্যমে মামলার নিষ্পত্তির পথ তৈরি হয়েছে।

কেন হয়েছিল মামলা?
২০২৩ সালে ক্যালিফোর্নিয়া ও নিউইয়র্কসহ ২৯টি অঙ্গরাজ্য মেটার বিরুদ্ধে মামলা করে। তাদের অভিযোগ, মেটা শিশুদের গোপনীয়তা রক্ষাবিষয়ক ফেডারেল ও অঙ্গরাজ্যের একাধিক আইন লঙ্ঘন করেছে।
মামলার অন্যতম ভিত্তি ছিল চিলড্রেনস অনলাইন প্রাইভেসি প্রোটেকশন অ্যাক্ট (সিওপিপিএ)। এটি ১৩ বছরের কম বয়সী শিশুদের ব্যক্তিগত তথ্যের অপব্যবহার থেকে সুরক্ষা দেওয়ার জন্য তৈরি করা হয়েছিল।

অঙ্গরাজ্যগুলোর দাবি, ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামকে এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যাতে শিশু ও কিশোররা দীর্ঘ সময় প্ল্যাটফর্মে আটকে থাকে। ভিডিওর অটো-প্লে, ইনস্টাগ্রাম স্টোরিজ এবং ঘন ঘন নোটিফিকেশনের মতো ফিচার ব্যবহারকারীদের বারবার অ্যাপে ফিরিয়ে আনার জন্য তৈরি করা হয়েছে।

এ ছাড়া অভিযোগে বলা হয়, মেটা ভোক্তাদের বিভ্রান্ত করেছে এবং তরুণ ব্যবহারকারীদের জন্য প্ল্যাটফর্মকে নিরাপদ হিসেবে উপস্থাপন করেছে। পাশাপাশি শিশুদের ব্যক্তিগত তথ্য অনুমতি ছাড়া সংগ্রহ ও ব্যবহার করারও অভিযোগ আনা হয়।

তবে মেটা শুরু থেকেই এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রতিদিন টক দই খাওয়ার যেসব উপকার জানলে অবাক হবেন

ফেসবুক-ইনস্টাগ্রাম শিশুদের ক্ষতি করে মামলা, ১৬৬৮ শতকোটি ডলারে রফা মেটার

আপডেট সময় ১০:১৭:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম শিশুদের মানসিক ও শারীরিকভাবে ক্ষতি করছে—যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের দায়ের করা একটি মামলা নিষ্পত্তির জন্য শতকোটি ডলার (১৭.১ বিলিয়ন ডলার) ক্ষতিপূরণ দিতে সম্মত হয়েছে এর মূল প্রতিষ্ঠান মেটা।

আদালতের অনুমোদন সাপেক্ষে কার্যকর হতে যাওয়া এই চুক্তির অধীনে শুধু আর্থিক ক্ষতিপূরণই নয়, কিশোর-কিশোরী ব্যবহারকারীদের জন্য দৈনিক ব্যবহারের সময়সীমা নির্ধারণ এবং রাতে অ্যাপ ব্যবহারে বাধানিষেধের মতো বেশ কিছু নতুন নিয়ম চালু করতে বাধ্য থাকবে মেটা।ক্যালিফোর্নিয়ার ওকল্যান্ডে চলমান এই বিচার এক সপ্তাহ আগে শুরু হয়েছিল এবং ছয় সপ্তাহ ধরে চলার কথা ছিল। তবে সমঝোতার মাধ্যমে মামলার নিষ্পত্তির পথ তৈরি হয়েছে।

কেন হয়েছিল মামলা?
২০২৩ সালে ক্যালিফোর্নিয়া ও নিউইয়র্কসহ ২৯টি অঙ্গরাজ্য মেটার বিরুদ্ধে মামলা করে। তাদের অভিযোগ, মেটা শিশুদের গোপনীয়তা রক্ষাবিষয়ক ফেডারেল ও অঙ্গরাজ্যের একাধিক আইন লঙ্ঘন করেছে।
মামলার অন্যতম ভিত্তি ছিল চিলড্রেনস অনলাইন প্রাইভেসি প্রোটেকশন অ্যাক্ট (সিওপিপিএ)। এটি ১৩ বছরের কম বয়সী শিশুদের ব্যক্তিগত তথ্যের অপব্যবহার থেকে সুরক্ষা দেওয়ার জন্য তৈরি করা হয়েছিল।

অঙ্গরাজ্যগুলোর দাবি, ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামকে এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যাতে শিশু ও কিশোররা দীর্ঘ সময় প্ল্যাটফর্মে আটকে থাকে। ভিডিওর অটো-প্লে, ইনস্টাগ্রাম স্টোরিজ এবং ঘন ঘন নোটিফিকেশনের মতো ফিচার ব্যবহারকারীদের বারবার অ্যাপে ফিরিয়ে আনার জন্য তৈরি করা হয়েছে।

এ ছাড়া অভিযোগে বলা হয়, মেটা ভোক্তাদের বিভ্রান্ত করেছে এবং তরুণ ব্যবহারকারীদের জন্য প্ল্যাটফর্মকে নিরাপদ হিসেবে উপস্থাপন করেছে। পাশাপাশি শিশুদের ব্যক্তিগত তথ্য অনুমতি ছাড়া সংগ্রহ ও ব্যবহার করারও অভিযোগ আনা হয়।

তবে মেটা শুরু থেকেই এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।