ঢাকা ০৮:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
প্রতিদিন টক দই খাওয়ার যেসব উপকার জানলে অবাক হবেন জেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষক হলেন ‘আজ কেন মন উদাসী হয়ে’ গানের আলোচিত সেই বিউটি রাণী সরকারি হাসপাতালের ১ কিলোমিটারের মধ্যে নতুন ক্লিনিক নয় ঢাকা-চট্টগ্রামসহ ১২ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস রোহিঙ্গাদের নিজ ভূমিতে নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের কোনো বিকল্প নেই : প্রধানমন্ত্রী মিরপুর বিআরটিএতে ভ্রাম্যমাণ আদালত, দালালের তিন মাসের কারাদণ্ড গুলশান ও বনানী থানায় নতুন ওসি মার্কিন প্রেসিডেন্টের নৈশভোজে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ ধানমন্ডি লেকে সাবেক মার্কেটিং কনসালটেন্টের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীদের মারধর নিষিদ্ধ, মহিলা আবাসিক না রাখার পরামর্শ

যাঁর আগমন ছিল সমগ্র মানবজাতির জন্য রহমত

  • নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:২৯:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬
  • ৩৩ বার পড়া হয়েছে

রাসুলুল্লাহ (সা.) এমন একসময়ে পৃথিবীতে আগমন করেন, যখন মানবতা জাহেলিয়াতের অন্ধকারে নিমজ্জিত ছিল। শক্তিমান দুর্বলের ওপর অত্যাচার করত, নারীর মর্যাদা ছিল বিপন্ন, দাসের কোনো মানবিক অধিকার ছিল না এবং গোত্রগত বিদ্বেষে সামান্য ঘটনায় বছরের পর বছর রক্ত ঝরত। সেই অন্ধকার যুগে তিনি নিয়ে এলেন ন্যায়, সাম্য, ভ্রাতৃত্ব ও মানবমর্যাদার আলোকিত শিক্ষা। মানুষের পরিচয়কে বংশ, বর্ণ ও সম্পদের গণ্ডি থেকে মুক্ত করে তিনি তাকওয়াকে মর্যাদার প্রকৃত মানদণ্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করলেন।
রাসুলুল্লাহ (সা.) ছিলেন পৃথিবীর জন্য আল্লাহর সবচেয়ে বড় রহমত। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আমি আপনাকে বিশ্বজগতের জন্য রহমত হিসেবেই প্রেরণ করেছি।’ (সুরা আম্বিয়া: ১০৭) নবীজি (সা.)-এর রহমত কেবল তাঁর অনুসারীদের জন্য সীমাবদ্ধ ছিল না। শত্রুর প্রতিও তাঁর আচরণ ছিল ক্ষমা ও উদারতায় পরিপূর্ণ। মক্কা বিজয়ের দিন দীর্ঘ নির্যাতনকারী শত্রুদের প্রতিশোধ নেওয়ার পূর্ণ ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও তিনি সাধারণ ক্ষমার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন। তায়েফের মানুষের কঠোর নির্যাতনের মুখেও তিনি তাদের ধ্বংস কামনা না করে হিদায়াতের আশা করেছিলেন। তাঁর হৃদয় ছিল এমন কোমল, যেখানে মানুষের জন্য কল্যাণের আকাঙ্ক্ষাই ছিল সর্বাধিক প্রবল।

নবীজি (সা.)-এর শিক্ষা মানুষের পার্থিব জীবনকেও করেছে সুন্দর এবং পরকালীন জীবনের জন্যও দেখিয়েছে মুক্তির পথ। তাই তাঁর জীবন ও আদর্শ যত বেশি মানুষের জীবনে প্রতিফলিত হবে, ততই সমাজ থেকে হিংসা ও অবিচার দূর হয়ে শান্তি, সৌহার্দ্য ও মানবতার সুবাস ছড়িয়ে পড়বে।

 

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

প্রতিদিন টক দই খাওয়ার যেসব উপকার জানলে অবাক হবেন

যাঁর আগমন ছিল সমগ্র মানবজাতির জন্য রহমত

আপডেট সময় ১০:২৯:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬

রাসুলুল্লাহ (সা.) এমন একসময়ে পৃথিবীতে আগমন করেন, যখন মানবতা জাহেলিয়াতের অন্ধকারে নিমজ্জিত ছিল। শক্তিমান দুর্বলের ওপর অত্যাচার করত, নারীর মর্যাদা ছিল বিপন্ন, দাসের কোনো মানবিক অধিকার ছিল না এবং গোত্রগত বিদ্বেষে সামান্য ঘটনায় বছরের পর বছর রক্ত ঝরত। সেই অন্ধকার যুগে তিনি নিয়ে এলেন ন্যায়, সাম্য, ভ্রাতৃত্ব ও মানবমর্যাদার আলোকিত শিক্ষা। মানুষের পরিচয়কে বংশ, বর্ণ ও সম্পদের গণ্ডি থেকে মুক্ত করে তিনি তাকওয়াকে মর্যাদার প্রকৃত মানদণ্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করলেন।
রাসুলুল্লাহ (সা.) ছিলেন পৃথিবীর জন্য আল্লাহর সবচেয়ে বড় রহমত। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আমি আপনাকে বিশ্বজগতের জন্য রহমত হিসেবেই প্রেরণ করেছি।’ (সুরা আম্বিয়া: ১০৭) নবীজি (সা.)-এর রহমত কেবল তাঁর অনুসারীদের জন্য সীমাবদ্ধ ছিল না। শত্রুর প্রতিও তাঁর আচরণ ছিল ক্ষমা ও উদারতায় পরিপূর্ণ। মক্কা বিজয়ের দিন দীর্ঘ নির্যাতনকারী শত্রুদের প্রতিশোধ নেওয়ার পূর্ণ ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও তিনি সাধারণ ক্ষমার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন। তায়েফের মানুষের কঠোর নির্যাতনের মুখেও তিনি তাদের ধ্বংস কামনা না করে হিদায়াতের আশা করেছিলেন। তাঁর হৃদয় ছিল এমন কোমল, যেখানে মানুষের জন্য কল্যাণের আকাঙ্ক্ষাই ছিল সর্বাধিক প্রবল।

নবীজি (সা.)-এর শিক্ষা মানুষের পার্থিব জীবনকেও করেছে সুন্দর এবং পরকালীন জীবনের জন্যও দেখিয়েছে মুক্তির পথ। তাই তাঁর জীবন ও আদর্শ যত বেশি মানুষের জীবনে প্রতিফলিত হবে, ততই সমাজ থেকে হিংসা ও অবিচার দূর হয়ে শান্তি, সৌহার্দ্য ও মানবতার সুবাস ছড়িয়ে পড়বে।