ঢাকা ০৮:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
প্রতিদিন টক দই খাওয়ার যেসব উপকার জানলে অবাক হবেন জেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষক হলেন ‘আজ কেন মন উদাসী হয়ে’ গানের আলোচিত সেই বিউটি রাণী সরকারি হাসপাতালের ১ কিলোমিটারের মধ্যে নতুন ক্লিনিক নয় ঢাকা-চট্টগ্রামসহ ১২ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস রোহিঙ্গাদের নিজ ভূমিতে নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের কোনো বিকল্প নেই : প্রধানমন্ত্রী মিরপুর বিআরটিএতে ভ্রাম্যমাণ আদালত, দালালের তিন মাসের কারাদণ্ড গুলশান ও বনানী থানায় নতুন ওসি মার্কিন প্রেসিডেন্টের নৈশভোজে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ ধানমন্ডি লেকে সাবেক মার্কেটিং কনসালটেন্টের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীদের মারধর নিষিদ্ধ, মহিলা আবাসিক না রাখার পরামর্শ

‘বই পড়ার বিনিময়ে খাবার’ কর্মসূচি চালুর পরিকল্পনা ঢাকায় বর্জ্যের বিনিময়ে বাজার, মিলবে নিত্যপণ্য

  • নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৫৩:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬
  • ২৮ বার পড়া হয়েছে

সংগৃহীত

পরিচ্ছন্ন নগর গড়ে তুলতে নাগরিকদের সম্পৃক্ত করা এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সচেতনতা বাড়াতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) ও বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন যৌথভাবে ‘বর্জ্যের বিনিময়ে বাজার’ কর্মসূচি চালু করেছে।
সোমবার রাজধানীর ৫৫ নম্বর ওয়ার্ডের হাজারীবাগ বস্তি সংলগ্ন মাঠে কর্মসূচিটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ডিএসসিসি প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম।
উদ্বোধন শেষে স্থানীয় বাসিন্দারা বিভিন্ন ধরনের বর্জ্য জমা দিয়ে অস্থায়ী স্টল থেকে চাল, ডাল, তেল, লবণ, আলু ও টিস্যুসহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সংগ্রহ করেন।
অনুষ্ঠানে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, ‘পরিচ্ছন্ন নগর গড়ে তুলতে নাগরিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ জরুরি।

বর্জ্যের বিনিময়ে বাজার নাগরিকদের সেই অংশগ্রহণে উৎসাহিত করার একটি কার্যকর মডেল হতে পারে। ’
তিনি বলেন, ‘প্লাস্টিকসহ বিভিন্ন বর্জ্য ড্রেন ও নালা-নর্দমায় ফেলার কারণে পানি নিষ্কাশন বাধাগ্রস্ত হয়ে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়। নির্দিষ্ট স্থানে বর্জ্য জমা দিলে জলাবদ্ধতা নিরসনের পাশাপাশি পরিবেশও সুরক্ষিত হবে। ’
কর্মসূচিটি নগরজুড়ে সম্প্রসারণের পরিকল্পনার কথা জানিয়ে আবদুস সালাম বলেন, ‘আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে গুলিস্তানে একটি স্থায়ী স্টল নির্মাণ করা হবে।

আগামী তিন থেকে চার মাসের মধ্যে ডিএসসিসির প্রতিটি ওয়ার্ডে একটি করে স্থায়ী স্টল নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ’
এ ছাড়া সুবিধাজনক অন্তর্বর্তীকালীন বর্জ্য স্থানান্তর কেন্দ্রের (এসটিএস) কাছে পথশিশুদের জন্য চেয়ার-টেবিল ও বইসহ ‘বই পড়ার বিনিময়ে খাবার’ কর্মসূচি চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে।
বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক জামাল উদ্দিন বলেন, ‘আমরা প্রান্তিক মানুষকে শুধু সাহায্য না দিয়ে পরিচ্ছন্নতার অংশীদার করছি। ’
তিনি জানান, গত দুই বছরে প্লাস্টিক বর্জ্য বিক্রি করে প্রায় ১ কোটি টাকা আয় হয়েছে, যা দিয়ে প্রায় ৪ লাখ মানুষকে আহার করানো সম্ভব হয়েছে।
ডিএসসিসি ও বিদ্যানন্দের এই উদ্যোগের আওতায় আগামী এক বছরে ১০০টি ভ্রাম্যমাণ ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে প্রায় ১ লাখ কেজি বর্জ্য সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে ডিএসসিসির প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমডোর মো. মাহবুবুর রহমান তালুকদার, বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক জামাল উদ্দিনসহ সিটি করপোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের স্বেচ্ছাসেবকরা উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রতিদিন টক দই খাওয়ার যেসব উপকার জানলে অবাক হবেন

‘বই পড়ার বিনিময়ে খাবার’ কর্মসূচি চালুর পরিকল্পনা ঢাকায় বর্জ্যের বিনিময়ে বাজার, মিলবে নিত্যপণ্য

আপডেট সময় ১১:৫৩:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬

পরিচ্ছন্ন নগর গড়ে তুলতে নাগরিকদের সম্পৃক্ত করা এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সচেতনতা বাড়াতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) ও বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন যৌথভাবে ‘বর্জ্যের বিনিময়ে বাজার’ কর্মসূচি চালু করেছে।
সোমবার রাজধানীর ৫৫ নম্বর ওয়ার্ডের হাজারীবাগ বস্তি সংলগ্ন মাঠে কর্মসূচিটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ডিএসসিসি প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম।
উদ্বোধন শেষে স্থানীয় বাসিন্দারা বিভিন্ন ধরনের বর্জ্য জমা দিয়ে অস্থায়ী স্টল থেকে চাল, ডাল, তেল, লবণ, আলু ও টিস্যুসহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সংগ্রহ করেন।
অনুষ্ঠানে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, ‘পরিচ্ছন্ন নগর গড়ে তুলতে নাগরিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ জরুরি।

বর্জ্যের বিনিময়ে বাজার নাগরিকদের সেই অংশগ্রহণে উৎসাহিত করার একটি কার্যকর মডেল হতে পারে। ’
তিনি বলেন, ‘প্লাস্টিকসহ বিভিন্ন বর্জ্য ড্রেন ও নালা-নর্দমায় ফেলার কারণে পানি নিষ্কাশন বাধাগ্রস্ত হয়ে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়। নির্দিষ্ট স্থানে বর্জ্য জমা দিলে জলাবদ্ধতা নিরসনের পাশাপাশি পরিবেশও সুরক্ষিত হবে। ’
কর্মসূচিটি নগরজুড়ে সম্প্রসারণের পরিকল্পনার কথা জানিয়ে আবদুস সালাম বলেন, ‘আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে গুলিস্তানে একটি স্থায়ী স্টল নির্মাণ করা হবে।

আগামী তিন থেকে চার মাসের মধ্যে ডিএসসিসির প্রতিটি ওয়ার্ডে একটি করে স্থায়ী স্টল নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ’
এ ছাড়া সুবিধাজনক অন্তর্বর্তীকালীন বর্জ্য স্থানান্তর কেন্দ্রের (এসটিএস) কাছে পথশিশুদের জন্য চেয়ার-টেবিল ও বইসহ ‘বই পড়ার বিনিময়ে খাবার’ কর্মসূচি চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে।
বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক জামাল উদ্দিন বলেন, ‘আমরা প্রান্তিক মানুষকে শুধু সাহায্য না দিয়ে পরিচ্ছন্নতার অংশীদার করছি। ’
তিনি জানান, গত দুই বছরে প্লাস্টিক বর্জ্য বিক্রি করে প্রায় ১ কোটি টাকা আয় হয়েছে, যা দিয়ে প্রায় ৪ লাখ মানুষকে আহার করানো সম্ভব হয়েছে।
ডিএসসিসি ও বিদ্যানন্দের এই উদ্যোগের আওতায় আগামী এক বছরে ১০০টি ভ্রাম্যমাণ ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে প্রায় ১ লাখ কেজি বর্জ্য সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে ডিএসসিসির প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমডোর মো. মাহবুবুর রহমান তালুকদার, বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক জামাল উদ্দিনসহ সিটি করপোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের স্বেচ্ছাসেবকরা উপস্থিত ছিলেন।