ঢাকা ০৪:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
রাষ্ট্রীয় সফরে ওয়াশিংটনে শি জিনপিং, বিমানবন্দরে বিরল অভ্যর্থনা ট্রাম্পের দেশে প্রাথমিকভাবে ৪ ডিজিটাল ব্যাংকের অনুমোদন সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর ও কল্যাণমুখী গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে চায় বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘে সাধারণ পরিষদের সভাপতির দপ্তরে লিগ্যাল অফিসার হলেন জাইমা রহমান এমআইটিতে স্কলারশীপ পেলেন ৪ কোটি, রাজশাহীর ফায়েজের অনন্য সাফল্য ৯ লাখ টাকায় মীমাংসা:ধনীর দুলালীর হেয়ালিতে ঝরে গেলো বাক্‌প্রতিবন্ধী শ্রমিকের প্রাণ,মায়ের জন্য নতুন ঘর করা হলো না মেহেদির শরীয়তপুরের নড়িয়ায় জাল দলিল দিয়ে জমি বিক্রির সময় নারীসহ আটক ৩ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষক-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের বিশেষ অনুদান দিবে সরকার,আবেদন ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে হজ নিবন্ধন:শুক্র ও শনিবার খোলা থাকবে ব্যাংক বাংলাদেশে একটি কার্যালয় খোলার জন্য প্রযুক্তি জায়ান্ট মেটাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম

হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট উপজেলার সীমান্ত এলাকায় গুলিতে এক বাংলাদেশি যুবক নিহত হয়েছেন

  • নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:০৮:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬
  • ১৩ বার পড়া হয়েছে

আজ রোববার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার চিমটিবিল সীমান্তে ভারতের এক কিলোমিটার অভ্যন্তরে এ ঘটনা ঘটে বলে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) জানিয়েছে।

নিহত সোহাগ মিয়া চুনারুঘাট উপজেলার চিমটিবিল এলাকার সফিকুল ইসলামের ছেলে ছিলেন।

হবিগঞ্জ বিজিবি ৫৫ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল তানজিলুর রহমান বলেন, ‘প্রথমে আমরা সন্দেহ করেছিলাম যে বিএসএফের গুলিতে তিনি নিহত হয়েছেন। পরে আমরা বিএসএফের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা নিশ্চিত করেছে যে তাদের গুলিতে ওই যুবক মারা যাননি।’

তিনি বলেন, ‘বিজিবি মনে করছে ভারতীয় চোরাকারবারিদের সঙ্গে দ্বন্দ্বের জেরে সোহাগকে গুলি করা হয়েছে।”ঘটনার সময় সোহাগের সঙ্গে তার এক ভাইও ছিলেন। তিনি ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে এসে পুলিশ ও বিজিবিকে বিস্তারিত জানান। বিষয়টি আরও খতিয়ে দেখা হচ্ছে,’ বলেন লে. কর্নেল তানজিলুর।

বিজিবি ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয়রা দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে গুলির শব্দ পান। ঘটনাস্থলে পড়ে থাকা সোহাগকে শনাক্ত করে তার পরিবার।
চুনারুঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক সিরাজুম মুনিরা বলেন, ‘পরিবারের সদস্যরা সোহাগকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসেন। হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়।’

নিহতের চাচা আবদুল কাদিরের দাবি করেছিলেন, সোহাগ সীমান্তে গরুকে ঘাস খাওয়াতে নিয়ে যায়। কিন্তু তাকে গরু চোরাকারবারি সন্দেহে গুলি করে বিএসএফ।
ঘটনার পরপরই বিজিবি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। নিহতের মরদেহ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

চুনারুঘাট থানার ওসি সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে মরদেহ

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

রাষ্ট্রীয় সফরে ওয়াশিংটনে শি জিনপিং, বিমানবন্দরে বিরল অভ্যর্থনা ট্রাম্পের

হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট উপজেলার সীমান্ত এলাকায় গুলিতে এক বাংলাদেশি যুবক নিহত হয়েছেন

আপডেট সময় ১১:০৮:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬

আজ রোববার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার চিমটিবিল সীমান্তে ভারতের এক কিলোমিটার অভ্যন্তরে এ ঘটনা ঘটে বলে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) জানিয়েছে।

নিহত সোহাগ মিয়া চুনারুঘাট উপজেলার চিমটিবিল এলাকার সফিকুল ইসলামের ছেলে ছিলেন।

হবিগঞ্জ বিজিবি ৫৫ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল তানজিলুর রহমান বলেন, ‘প্রথমে আমরা সন্দেহ করেছিলাম যে বিএসএফের গুলিতে তিনি নিহত হয়েছেন। পরে আমরা বিএসএফের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা নিশ্চিত করেছে যে তাদের গুলিতে ওই যুবক মারা যাননি।’

তিনি বলেন, ‘বিজিবি মনে করছে ভারতীয় চোরাকারবারিদের সঙ্গে দ্বন্দ্বের জেরে সোহাগকে গুলি করা হয়েছে।”ঘটনার সময় সোহাগের সঙ্গে তার এক ভাইও ছিলেন। তিনি ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে এসে পুলিশ ও বিজিবিকে বিস্তারিত জানান। বিষয়টি আরও খতিয়ে দেখা হচ্ছে,’ বলেন লে. কর্নেল তানজিলুর।

বিজিবি ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয়রা দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে গুলির শব্দ পান। ঘটনাস্থলে পড়ে থাকা সোহাগকে শনাক্ত করে তার পরিবার।
চুনারুঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক সিরাজুম মুনিরা বলেন, ‘পরিবারের সদস্যরা সোহাগকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসেন। হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়।’

নিহতের চাচা আবদুল কাদিরের দাবি করেছিলেন, সোহাগ সীমান্তে গরুকে ঘাস খাওয়াতে নিয়ে যায়। কিন্তু তাকে গরু চোরাকারবারি সন্দেহে গুলি করে বিএসএফ।
ঘটনার পরপরই বিজিবি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। নিহতের মরদেহ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

চুনারুঘাট থানার ওসি সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে মরদেহ