ঢাকা ০৫:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
‘আমাকে ২ কোটি দেন, সব সই করে দেবো’ পিডিবির নির্বাহী প্রকৌশলীর ঘুষ নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল পাকিস্তান বাংলাদেশকে আকাশসীমা ব্যবহার করতে না দেওয়ায় আটকে গেল রূপপুরের জ্বালানি আ’লীগের ডোনারের কাছ থেকে জায়গা ভাড়া নেওয়া সালমান মুক্তাদিরের উচিত হয়নি ভুয়া ও জাল সনদে মতিঝিল আইডিয়ালে চাকরি, ২৩ শিক্ষককে দুদকে তলব ‘নীরব ঘাতক’ সিসার মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে শিশুরা বিশ্বের ৫৪ দেশের প্রতিনিধিদের অ্যাম্বাসেডর নির্বাচনে বিজয়ী ছাত্রদল সহ-সভাপতি ডা. আউয়াল সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুরসহ রাতের হামলার মূল পরিকল্পনাকারী গ্রেপ্তার: পুলিশ ঠাকুরগাঁও–১ আসনের উপনির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন নারী উন্নয়নে গণমাধ্যমকর্মীদের আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশনের সফর শেষে নিউইয়র্ক ছেড়ে দেশের পথে প্রধানমন্ত্রী

অনূর্ধ্ব-২০ দলের কোচদের মধ্যে হাতাহাতি, ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশ ডাকলেন বাংলাদেশের ইংলিশ কোচ

  • নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:০৪:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬
  • ২৫ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ দলের উজবেকিস্তান সফর সামনে রেখে মাঠের প্রস্তুতির চেয়ে এখন বেশি আলোচনা কোচিং স্টাফের দ্বন্দ্ব নিয়ে। দলের প্রধান কোচ জেরার্ড জোন্স ও সহকারী কোচ আতিকুর রহমান মিশুর মধ্যে বেশ কিছুদিন ধরেই টানাপোড়েন চলছে। এর মধ্যে ঢাকার টিম হোটেলে দুজনের মধ্যে উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়। একপর্যায়ে পুলিশ ডাকেন ব্রিটিশ কোচ জোন্স। আগামী ৩১ আগস্ট উজবেকিস্তানে শুরু হবে এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ বাছাইপর্ব। যুব এশিয়া কাপের মূল পর্বে জায়গা করে নেওয়ার লক্ষ্য বাংলাদেশের। সে জন্য ২৭ আগস্ট দেশ ছাড়ার কথা দলের। গুরুত্বপূর্ণ এই সফরের মাত্র কয়েক দিন আগে কোচিং স্টাফের বিরোধ তাই বাড়তি অস্বস্তি তৈরি করেছে।

দলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একাধিক ব্যক্তির তথ্য অনুযায়ী, গত বুধবার ঢাকার হোটেল হলিডে ইনে জেরার্ড জোন্স ও মিশুর মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি ধাক্কাধাক্কি পর্যন্ত গড়ায়। পরে জোন্স ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে পুলিশ ডাকেন। পুলিশ হোটেলে গেলেও শেষ পর্যন্ত বড় কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। জাতীয় দলের ক্যাম্পে এমন ঘটনায় বিব্রত বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনও। অনূর্ধ্ব-২০ দল বয়সভিত্তিক হলেও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় এটি বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বকারী জাতীয় দল। কোচদের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব দলের প্রস্তুতিতে প্রভাব ফেলতে পারে—এমন আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে।

ঘটনার বিষয়ে দলের ম্যানেজার ও বাফুফের ডেভেলপমেন্ট কমিটির সদস্য সামিদ কাশেম বলেন, ‘আমরা ডেভেলপমেন্ট কমিটি এই বিষয়ে কাজ করছি। আশা করছি, দ্রুতই একটি সুন্দর সমাধান আনব। আমাদের লক্ষ্য ফুটবলারদের সর্বোচ্চ সুবিধা প্রদান করে দেশকে সাফল্য এনে দেওয়া।’ এদিকে জেরার্ড জোন্সের আচরণ নিয়ে এর আগেও আলোচনা হয়েছে। কিছুদিন আগে বেতনসংক্রান্ত বিষয়ে সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে তিনি আলোচনায় আসেন। সেখানে পরিবারের কষ্ট ও নিজের জীবন নিয়ে শঙ্কার কথাও জানিয়েছিলেন তিনি। বাফুফের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গেও তাঁর আচরণ নিয়ে অসন্তোষ তৈরি হয়েছিল বলে জানা গেছে। অ-২০ দলের কোচ নিয়ে বিতর্ক অবশ্য নতুন নয়। জোন্সের আগে দায়িত্বে থাকা ব্রিটিশ কোচ মার্ক কক্সের কোচিং সনদ ও যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। এবার জোন্সের কোচিং যোগ্যতা নিয়ে তেমন প্রশ্ন না থাকলেও তাঁর আচরণ নিয়ে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। আগস্টের শেষ দিকে অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপ বাছাই খেলতে উজবেকিস্তান সফরের আগে বাংলাদেশ অ-২০ দলের সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এখন মাঠের পারফরম্যান্স নয়, দলের ভেতরের পরিবেশ।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

‘আমাকে ২ কোটি দেন, সব সই করে দেবো’ পিডিবির নির্বাহী প্রকৌশলীর ঘুষ নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল

অনূর্ধ্ব-২০ দলের কোচদের মধ্যে হাতাহাতি, ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশ ডাকলেন বাংলাদেশের ইংলিশ কোচ

আপডেট সময় ১০:০৪:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬

বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ দলের উজবেকিস্তান সফর সামনে রেখে মাঠের প্রস্তুতির চেয়ে এখন বেশি আলোচনা কোচিং স্টাফের দ্বন্দ্ব নিয়ে। দলের প্রধান কোচ জেরার্ড জোন্স ও সহকারী কোচ আতিকুর রহমান মিশুর মধ্যে বেশ কিছুদিন ধরেই টানাপোড়েন চলছে। এর মধ্যে ঢাকার টিম হোটেলে দুজনের মধ্যে উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়। একপর্যায়ে পুলিশ ডাকেন ব্রিটিশ কোচ জোন্স। আগামী ৩১ আগস্ট উজবেকিস্তানে শুরু হবে এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ বাছাইপর্ব। যুব এশিয়া কাপের মূল পর্বে জায়গা করে নেওয়ার লক্ষ্য বাংলাদেশের। সে জন্য ২৭ আগস্ট দেশ ছাড়ার কথা দলের। গুরুত্বপূর্ণ এই সফরের মাত্র কয়েক দিন আগে কোচিং স্টাফের বিরোধ তাই বাড়তি অস্বস্তি তৈরি করেছে।

দলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একাধিক ব্যক্তির তথ্য অনুযায়ী, গত বুধবার ঢাকার হোটেল হলিডে ইনে জেরার্ড জোন্স ও মিশুর মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি ধাক্কাধাক্কি পর্যন্ত গড়ায়। পরে জোন্স ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে পুলিশ ডাকেন। পুলিশ হোটেলে গেলেও শেষ পর্যন্ত বড় কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। জাতীয় দলের ক্যাম্পে এমন ঘটনায় বিব্রত বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনও। অনূর্ধ্ব-২০ দল বয়সভিত্তিক হলেও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় এটি বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বকারী জাতীয় দল। কোচদের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব দলের প্রস্তুতিতে প্রভাব ফেলতে পারে—এমন আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে।

ঘটনার বিষয়ে দলের ম্যানেজার ও বাফুফের ডেভেলপমেন্ট কমিটির সদস্য সামিদ কাশেম বলেন, ‘আমরা ডেভেলপমেন্ট কমিটি এই বিষয়ে কাজ করছি। আশা করছি, দ্রুতই একটি সুন্দর সমাধান আনব। আমাদের লক্ষ্য ফুটবলারদের সর্বোচ্চ সুবিধা প্রদান করে দেশকে সাফল্য এনে দেওয়া।’ এদিকে জেরার্ড জোন্সের আচরণ নিয়ে এর আগেও আলোচনা হয়েছে। কিছুদিন আগে বেতনসংক্রান্ত বিষয়ে সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে তিনি আলোচনায় আসেন। সেখানে পরিবারের কষ্ট ও নিজের জীবন নিয়ে শঙ্কার কথাও জানিয়েছিলেন তিনি। বাফুফের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গেও তাঁর আচরণ নিয়ে অসন্তোষ তৈরি হয়েছিল বলে জানা গেছে। অ-২০ দলের কোচ নিয়ে বিতর্ক অবশ্য নতুন নয়। জোন্সের আগে দায়িত্বে থাকা ব্রিটিশ কোচ মার্ক কক্সের কোচিং সনদ ও যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। এবার জোন্সের কোচিং যোগ্যতা নিয়ে তেমন প্রশ্ন না থাকলেও তাঁর আচরণ নিয়ে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। আগস্টের শেষ দিকে অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপ বাছাই খেলতে উজবেকিস্তান সফরের আগে বাংলাদেশ অ-২০ দলের সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এখন মাঠের পারফরম্যান্স নয়, দলের ভেতরের পরিবেশ।